প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী গোল্ড কাপ’ নামে নতুন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া এ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিজেই উপস্থিত থাকবেন এবং আয়োজনের বিভিন্ন পর্যায়েও সম্পৃক্ত থাকবেন। বুধবার (৮ জুলাই) এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, দক্ষতা এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা বাড়াতে সারা বছরজুড়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এরই মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ইনোভেশন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী মাসে শুরু হবে ‘প্রধানমন্ত্রী গোল্ড কাপ’। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ভিডিও, ডকুমেন্টারি ও অন্যান্য সৃজনশীল প্রতিযোগিতাও আয়োজন করা হবে, যাতে তারা নিজেদের সাফল্য, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনা সবার সামনে তুলে ধরতে পারে। শিক্ষা খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে মাহদী আমিন বলেন, আপাতত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং বিদ্যমান শিক্ষাক্রমের বিস্তৃত পরিমার্জনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে না; বরং বর্তমান শিক্ষাক্রমে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন ও সংশোধনের কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু সনদ অর্জন করবে না, বরং দক্ষ, যোগ্য, দায়িত্বশীল এবং সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে। শিক্ষা সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছরে তৈরি হওয়া নানা সমস্যা কয়েক মাসে সমাধান করা সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের প্রত্যাশা, ২০২৮ সালের মধ্যে শিক্ষা সংস্কারের পূর্ণাঙ্গ সুফল দৃশ্যমান হবে। মাহদী আমিন আরও জানান, বিদ্যমান শিক্ষাক্রমে কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হবে এবং পাঠ্যবইয়ের বিভিন্ন ত্রুটি সংশোধন করা হবে। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে এসব পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হবে। এ সময় গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা ও অনিয়ম যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে আসা শিক্ষার্থীদের সাফল্য, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও অনুপ্রেরণামূলক গল্পও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা উচিত। এতে অন্য শিক্ষার্থীরাও উৎসাহিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী গোল্ড কাপ’ নামে নতুন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া এ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিজেই উপস্থিত থাকবেন এবং আয়োজনের বিভিন্ন পর্যায়েও সম্পৃক্ত থাকবেন। বুধবার (৮ জুলাই) এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, দক্ষতা এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা বাড়াতে সারা বছরজুড়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এরই মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ইনোভেশন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী মাসে শুরু হবে ‘প্রধানমন্ত্রী গোল্ড কাপ’। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ভিডিও, ডকুমেন্টারি ও অন্যান্য সৃজনশীল প্রতিযোগিতাও আয়োজন করা হবে, যাতে তারা নিজেদের সাফল্য, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনা সবার সামনে তুলে ধরতে পারে। শিক্ষা খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে মাহদী আমিন বলেন, আপাতত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং বিদ্যমান শিক্ষাক্রমের বিস্তৃত পরিমার্জনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে না; বরং বর্তমান শিক্ষাক্রমে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন ও সংশোধনের কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু সনদ অর্জন করবে না, বরং দক্ষ, যোগ্য, দায়িত্বশীল এবং সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে। শিক্ষা সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছরে তৈরি হওয়া নানা সমস্যা কয়েক মাসে সমাধান করা সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের প্রত্যাশা, ২০২৮ সালের মধ্যে শিক্ষা সংস্কারের পূর্ণাঙ্গ সুফল দৃশ্যমান হবে। মাহদী আমিন আরও জানান, বিদ্যমান শিক্ষাক্রমে কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হবে এবং পাঠ্যবইয়ের বিভিন্ন ত্রুটি সংশোধন করা হবে। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে এসব পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হবে। এ সময় গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা ও অনিয়ম যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে আসা শিক্ষার্থীদের সাফল্য, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও অনুপ্রেরণামূলক গল্পও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা উচিত। এতে অন্য শিক্ষার্থীরাও উৎসাহিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন