নওগাঁর মান্দায় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই সড়ক ও জনপদ (সওজ) এর জায়গা দখল করে মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের ফেরিঘাটে পার্শ্বে অবস্থিত নওগাঁর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের সামনে কলেজ-সংলগ্ন এলাকায় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজের) জায়গা দখল করে মাটি ভরাট ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অফিস সূত্রে জানা যায়, ডা.বেদারুল ইসলাম ও কসব গ্রামের আবু তালেবের ছেলে মেরিন অফিসার আবু রাসেল খান মহাসড়কের সংরক্ষিত জমিতে মাটি ভরাট করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছেন। এতে সরকারি জমি বেদখলের পাশাপাশি মহাসড়কের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নকাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের মৌখিকভাবে বাধা-নিষেধ করলে তারা এমপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব বিস্তার করে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে মান্দা উপজেলার এ অংশে মহাসড়ক-সংলগ্ন সরকারি জমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। জবর দখলকারীদের বাঁধা দিতে গেলে তারা বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি ও রাজনৈতিক নেতাদের ভয় দেখাচ্ছেন। এ ব্যাপারে অবৈধ দখলদার ডাক্তার বেদারুল ইসলাম বলেন, আমরা কারো কোন অনুমতি নেইনি, এখানে সেবামূলক একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে। কাজ আপাতত বন্ধ আছে, অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে পরবর্তীতে অনুমতি নিয়ে কাজ করা হবে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাজিম উদ্দিন এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মৌখিকভাবে তাদেরকে কাজ বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরেও কাজ করলে নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ করা হবে। সেটিও না মানলে পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর মান্দায় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই সড়ক ও জনপদ (সওজ) এর জায়গা দখল করে মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের ফেরিঘাটে পার্শ্বে অবস্থিত নওগাঁর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের সামনে কলেজ-সংলগ্ন এলাকায় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজের) জায়গা দখল করে মাটি ভরাট ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অফিস সূত্রে জানা যায়, ডা.বেদারুল ইসলাম ও কসব গ্রামের আবু তালেবের ছেলে মেরিন অফিসার আবু রাসেল খান মহাসড়কের সংরক্ষিত জমিতে মাটি ভরাট করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছেন। এতে সরকারি জমি বেদখলের পাশাপাশি মহাসড়কের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নকাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের মৌখিকভাবে বাধা-নিষেধ করলে তারা এমপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব বিস্তার করে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে মান্দা উপজেলার এ অংশে মহাসড়ক-সংলগ্ন সরকারি জমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। জবর দখলকারীদের বাঁধা দিতে গেলে তারা বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি ও রাজনৈতিক নেতাদের ভয় দেখাচ্ছেন। এ ব্যাপারে অবৈধ দখলদার ডাক্তার বেদারুল ইসলাম বলেন, আমরা কারো কোন অনুমতি নেইনি, এখানে সেবামূলক একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে। কাজ আপাতত বন্ধ আছে, অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে পরবর্তীতে অনুমতি নিয়ে কাজ করা হবে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাজিম উদ্দিন এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মৌখিকভাবে তাদেরকে কাজ বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরেও কাজ করলে নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ করা হবে। সেটিও না মানলে পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

আপনার মতামত লিখুন