বরিশালের মুলাদী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ত্রাণের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দকৃত চালের তালিকা প্রস্তুতের সময় ইউনিয়ন পরিষদের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর এবং প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে।
অভিযোগে জানা যায়, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের জন্য ৩ টন চাল বরাদ্দ আসে। সেই চাল বিতরণের সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করছিলেন ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সিকদার। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব বেল্লাল হোসেন সরদারসহ কয়েকজন কার্যালয়ে প্রবেশ করে তালিকা প্রণয়নের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই সেখানে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কর্মকর্তাকে মারধর, কিল-ঘুষি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বের হয়ে যাওয়ার সময় তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী কর্মকর্তা আরও অভিযোগ করেন, এর আগেও ওই নেতা অফিসে গিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছেন এবং বিভিন্ন সময় ত্রাণ ও ভিজিএফ বিতরণে চাপ সৃষ্টি করেছেন। এমনকি নির্দিষ্ট অংশের চাল দাবি ও কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বেল্লাল হোসেন সরদার। তার দাবি, তিনি ওই দিন ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা।
ইউপি চেয়ারম্যান জানান, বিষয়টি শুনেছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নিতে কর্মকর্তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং থানায় জিডি হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুলাদী থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ত্রাণের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দকৃত চালের তালিকা প্রস্তুতের সময় ইউনিয়ন পরিষদের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারধর এবং প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে।
অভিযোগে জানা যায়, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের জন্য ৩ টন চাল বরাদ্দ আসে। সেই চাল বিতরণের সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করছিলেন ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সিকদার। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব বেল্লাল হোসেন সরদারসহ কয়েকজন কার্যালয়ে প্রবেশ করে তালিকা প্রণয়নের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই সেখানে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কর্মকর্তাকে মারধর, কিল-ঘুষি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বের হয়ে যাওয়ার সময় তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী কর্মকর্তা আরও অভিযোগ করেন, এর আগেও ওই নেতা অফিসে গিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছেন এবং বিভিন্ন সময় ত্রাণ ও ভিজিএফ বিতরণে চাপ সৃষ্টি করেছেন। এমনকি নির্দিষ্ট অংশের চাল দাবি ও কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বেল্লাল হোসেন সরদার। তার দাবি, তিনি ওই দিন ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা।
ইউপি চেয়ারম্যান জানান, বিষয়টি শুনেছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নিতে কর্মকর্তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং থানায় জিডি হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুলাদী থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন