গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের ভেরামারা ব্রিজসংলগ্ন ‘জাফলং রেস্টুরেন্টে’ ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রেস্টুরেন্ট কর্মচারী আমির হোসেনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। পরে বিক্ষুব্ধ মানুষ রেস্টুরেন্টটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আমির হোসেন নামের ওই কর্মচারী শিশুটিকে ফুসলিয়ে রেস্টুরেন্টের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা রেস্টুরেন্ট ঘিরে ফেলেন এবং অভিযুক্তকে আটকে রাখেন।
দুপুরের দিকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শত শত মানুষ রেস্টুরেন্টের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে আমির হোসেনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে উত্তেজিত জনতা রেস্টুরেন্টটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ জনতা রেস্টুরেন্টে আগুন দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে তিনি জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের ভেরামারা ব্রিজসংলগ্ন ‘জাফলং রেস্টুরেন্টে’ ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রেস্টুরেন্ট কর্মচারী আমির হোসেনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। পরে বিক্ষুব্ধ মানুষ রেস্টুরেন্টটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আমির হোসেন নামের ওই কর্মচারী শিশুটিকে ফুসলিয়ে রেস্টুরেন্টের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা রেস্টুরেন্ট ঘিরে ফেলেন এবং অভিযুক্তকে আটকে রাখেন।
দুপুরের দিকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শত শত মানুষ রেস্টুরেন্টের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে আমির হোসেনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে উত্তেজিত জনতা রেস্টুরেন্টটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ জনতা রেস্টুরেন্টে আগুন দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন