লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার সময় পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার এক আসামিকে আটক করার পর একদল লোক তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তাদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। মামলার পর অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
জেলা পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার সময় পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার এক আসামিকে আটক করার পর একদল লোক তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তাদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। মামলার পর অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
জেলা পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন