দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেরা ২০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (LAISE) প্রকল্পের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রকল্পের আওতায় দুটি পৃথক ক্যাটাগরিতে মোট ২০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
এর মধ্যে শিখন ত্বরান্বিতকরণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সেরা ১০০টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জলবায়ু সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশেষ অবদান রাখায় সেরা ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে।
এ জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন তথ্য নির্ধারিত ফরম্যাটে জমা দিতে বলা হয়েছে। জমা দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শেখার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও উৎসাহিত হবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সফল শিক্ষা কার্যক্রম ও জলবায়ুবান্ধব উদ্যোগগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও অনুপ্রাণিত হবে এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেরা ২০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (LAISE) প্রকল্পের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রকল্পের আওতায় দুটি পৃথক ক্যাটাগরিতে মোট ২০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
এর মধ্যে শিখন ত্বরান্বিতকরণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সেরা ১০০টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জলবায়ু সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশেষ অবদান রাখায় সেরা ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে।
এ জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন তথ্য নির্ধারিত ফরম্যাটে জমা দিতে বলা হয়েছে। জমা দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শেখার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও উৎসাহিত হবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সফল শিক্ষা কার্যক্রম ও জলবায়ুবান্ধব উদ্যোগগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও অনুপ্রাণিত হবে এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন