ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একদিনের ব্যবধানে পৃথক দুই দুর্ঘটনায় এক যুবক ও এক বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু এবং রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে এক বৃদ্ধার প্রাণহানিতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার সকালে ভাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভারইডাঙ্গা গ্রামের পিয়াস মাতুব্বর (২৫) নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তিনি জাহাঙ্গীর মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভবনের ভেতরে পানি দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছিল। এ সময় একটি বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পিয়াস সেটি টেপ দিয়ে জোড়া লাগানোর চেষ্টা করেন। তখনই তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে একই দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা থানার হামিরদী ইউনিয়নের হলুপদিয়া এলাকার লাল রেল ব্রিজে ঘটে আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনা। রাস্তা পারাপারের সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান মোসা. খদেজা খাতুন (৭০)।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে এসআই মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। নিহত খদেজা খাতুন ভাঙ্গা উপজেলার ধর্মদী এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত শেখ আইয়ুব আলীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, জীবিকার তাগিদে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। রাজবাড়ীগামী একটি লোকাল ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। পরে রেলওয়ে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।
একই দিনে দুইটি পৃথক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো ভাঙ্গাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক। স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা এবং রেললাইন পারাপারে জনসচেতনতা আরও জোরদার করা জরুরি, নইলে এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটতেই থাকবে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একদিনের ব্যবধানে পৃথক দুই দুর্ঘটনায় এক যুবক ও এক বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু এবং রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে এক বৃদ্ধার প্রাণহানিতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার সকালে ভাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভারইডাঙ্গা গ্রামের পিয়াস মাতুব্বর (২৫) নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তিনি জাহাঙ্গীর মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভবনের ভেতরে পানি দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছিল। এ সময় একটি বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পিয়াস সেটি টেপ দিয়ে জোড়া লাগানোর চেষ্টা করেন। তখনই তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে একই দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা থানার হামিরদী ইউনিয়নের হলুপদিয়া এলাকার লাল রেল ব্রিজে ঘটে আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনা। রাস্তা পারাপারের সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান মোসা. খদেজা খাতুন (৭০)।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে এসআই মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। নিহত খদেজা খাতুন ভাঙ্গা উপজেলার ধর্মদী এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত শেখ আইয়ুব আলীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, জীবিকার তাগিদে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। রাজবাড়ীগামী একটি লোকাল ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। পরে রেলওয়ে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।
একই দিনে দুইটি পৃথক মৃত্যুর ঘটনায় পুরো ভাঙ্গাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক। স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা এবং রেললাইন পারাপারে জনসচেতনতা আরও জোরদার করা জরুরি, নইলে এমন দুর্ঘটনা বারবার ঘটতেই থাকবে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন