স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি গাড়ির চালক ওই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন। তবে আটক নারীদের একজন পাল্টা অভিযোগ করেছেন, কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বাসায় ঢুকে তাঁদের কাছে অর্থ দাবি করেন এবং অর্থ না দেওয়ায় মাদক সেবনের সরঞ্জাম রেখে পুলিশকে খবর দেন। চালক বাদশা আকন বলেছেন, তিনি ওই নারীদের বাসা ভাড়া পেতে সহায়তা করেছিলেন। অভিযোগগুলোর কোনটি সত্য, তা এখনো স্বাধীনভাবে নির্ধারিত হয়নি।
ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দীন আইয়ুবী জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে এবং চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ও দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এখানে সরকারি গাড়ির অনুমোদিত ব্যবহার, স্থানীয়দের আটক করার পদ্ধতি এবং উভয় পক্ষের অভিযোগ—প্রতিটি বিষয় পৃথক তদন্তের দাবি রাখে। থানায় নিয়ে যাওয়া মানেই কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়।








