কুমারখালী থানা পুলিশের বরাতে বিডিনিউজ২৪ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর মধ্যে পেট্রোলভর্তি দুটি বোতল, লোহার পাইপ ও বিদ্যুতের তার ছিল। অন্যদিকে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে স্থানীয় পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী বস্তুটিকে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বা আইইডি হিসেবে উল্লেখ করে সকাল ৮টার দিকে নিষ্ক্রিয় করার তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে বিডিনিউজ২৪-এর সকাল ১০টা ২২ মিনিটের প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে ডিভাইসটির ধরন ও শক্তি নিশ্চিত না হওয়ার কথা রয়েছে। এই দুই প্রতিবেদনের কারিগরি বিবরণে পার্থক্য আছে।
লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে মাজার এলাকায় তিন দিনের আয়োজন চলছিল। এতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সাধু, বাউল ও দর্শনার্থীরা অংশ নিয়েছেন। এমন একটি আয়োজনে সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধারের ঘটনা জননিরাপত্তার প্রশ্ন সামনে এনেছে। কে বা কারা বস্তুটি রেখেছে, তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং প্রকৃত বিস্ফোরণক্ষমতা কতটা—এসব বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।








