পোরশার গাঙ্গুরিয়া-ছাওড় ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, অস্বীকার কর্মকর্তার
নওগাঁর পোরশা উপজেলার গাঙ্গুরিয়া-ছাওড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) শাহ মো. ফরহাদ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, দালালের মাধ্যমে ভূমিসেবা প্রদান, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও অসদাচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
নওগাঁর পোরশা উপজেলার গাঙ্গুরিয়া-ছাওড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) শাহ মো. ফরহাদ হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, দালালের মাধ্যমে ভূমিসেবা প্রদান, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও অসদাচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ওই কর্মকর্তাকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়ে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন গাঙ্গুরিয়া এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, দালালের মাধ্যমে কাজ না করলে কিংবা অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির শিকার হতে হয়। নামজারি, খারিজ ও ডিসিআরসহ বিভিন্ন ভূমিসেবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নামজারির প্রস্তাব আটকে রাখা, ভুল প্রস্তাব পাঠানো এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও করা হয়েছে। এ ছাড়া ভূমি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কক্ষে বহিরাগতদের প্রবেশ, নামজারি কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার এবং একটি জমির দলিল পরিবর্তনের মাধ্যমে নামজারি করার অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগকারী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগগুলোর পক্ষে তার কাছে নথিপত্র, অডিও ও ভিডিওসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তহশিলদার শাহ মো. ফরহাদ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে করা সব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার কোনো ব্যক্তিগত সহকারী নেই এবং দালাল সিন্ডিকেট পরিচালনার প্রশ্নই আসে না।” পোরশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. নাবিলা ফেরদৌস বলেন, এ বিষয়ে এর আগে তিনি কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাননি। কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হয়ে থাকলে অভিযোগ দিলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জান্নাত আরা তিথি বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।








