শিক্ষা

এইচএসসিতে ২২ বছরের সর্বনিম্ন পাসের হার, কেন এই ফল বিপর্যয় হলো

⎙ প্রিন্ট
এইচএসসিতে ২২ বছরের সর্বনিম্ন পাসের হার, কেন এই ফল বিপর্যয় হলো
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। শনিবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, সাধারণ বোর্ডগুলোর অধীনে ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। আগের বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটিই কমেছে। রোববার প্রকাশিত প্রথম আলোর বিশ্লেষণে ফলাফলের অবনতির সম্ভাব্য কারণগুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি বিষয়ে দুর্বলতার চিত্র সামনে এসেছে। ঢাকা বোর্ড ছাড়া অন্য কোনো সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭০ শতাংশে পৌঁছায়নি। বাধ্যতামূলক আইসিটি বিষয়েও সব বোর্ডে পাসের হার ৮০ শতাংশের নিচে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পাঠদানের মান, শিক্ষকস্বল্পতা, পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, প্রশ্নপত্রের ধরন এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নের পদ্ধতিকে সম্ভাব্য প্রভাবক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে কোন কারণ কতটা প্রভাব ফেলেছে, তা নির্দিষ্ট গবেষণা ছাড়া নিশ্চিত করা যায় না।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফল সন্তোষজনক নয় বলে মন্তব্য করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত সময়সূচি ও ফি সম্পর্কে ৩ নভেম্বরের মধ্যে জানানোর কথা বলা হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের সহায়তা কার্যক্রমের কার্যকারিতা মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ