সিলেটের বিশ্বনাথে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর বাসিয়া নদী থেকে এমরান সাদিকুল ইসলাম আবিদ (৮) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের মজনপুর গ্রাম সংলগ্ন নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আবিদ মজনপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি সিলেট মহানগরের কল্যাণপুর এলাকার আলহাজ্ব অছিয়ত আলী-করিমুন্নেছা হাফেজিয়া দাখিল মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে আবিদ বাড়ি থেকে ১০ টাকা নিয়ে পাশের বাসিয়া নদীর বাঁশের সাঁকো পার হয়ে একটি দোকানে চকলেট কিনতে যান। তবে ওই ১০ টাকার নোটটি অচল হওয়ায় দোকানদার তাকে চকলেট দেননি। এরপর তিনি বাড়ির পথে রওনা দেন, কিন্তু তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান।
পরিবার জানায়, পরে এক শিশু তাকে সাঁকো পার হতে দেখেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ফেরার সময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে তিনি নদীতে পড়ে যান এবং সেখানেই পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুহেল খান বলেন, শুক্রবার বিকেল থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। সকালে নদীতে মরদেহ ভেসে উঠলে পুলিশকে জানানো হয়। বাঁশের সাঁকোর কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি ওই স্থানে পাকা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের বলে জানান।
বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
সিলেটের বিশ্বনাথে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর বাসিয়া নদী থেকে এমরান সাদিকুল ইসলাম আবিদ (৮) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের মজনপুর গ্রাম সংলগ্ন নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আবিদ মজনপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি সিলেট মহানগরের কল্যাণপুর এলাকার আলহাজ্ব অছিয়ত আলী-করিমুন্নেছা হাফেজিয়া দাখিল মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে আবিদ বাড়ি থেকে ১০ টাকা নিয়ে পাশের বাসিয়া নদীর বাঁশের সাঁকো পার হয়ে একটি দোকানে চকলেট কিনতে যান। তবে ওই ১০ টাকার নোটটি অচল হওয়ায় দোকানদার তাকে চকলেট দেননি। এরপর তিনি বাড়ির পথে রওনা দেন, কিন্তু তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান।
পরিবার জানায়, পরে এক শিশু তাকে সাঁকো পার হতে দেখেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ফেরার সময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে তিনি নদীতে পড়ে যান এবং সেখানেই পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুহেল খান বলেন, শুক্রবার বিকেল থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। সকালে নদীতে মরদেহ ভেসে উঠলে পুলিশকে জানানো হয়। বাঁশের সাঁকোর কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি ওই স্থানে পাকা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের বলে জানান।
বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন