রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযানে বাসের চালক ও সহকারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি না হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকাজুড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর নদী থেকে বাসটি তোলা সম্ভব হয়।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা এড়ানো গেছে। চালক ও সহকারীকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে অসতর্কতা বা যান্ত্রিক ত্রুটিকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
দুর্ঘটনার পর ফেরিঘাট এলাকায় সাময়িকভাবে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযানে বাসের চালক ও সহকারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি না হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকাজুড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর নদী থেকে বাসটি তোলা সম্ভব হয়।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা এড়ানো গেছে। চালক ও সহকারীকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে অসতর্কতা বা যান্ত্রিক ত্রুটিকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
দুর্ঘটনার পর ফেরিঘাট এলাকায় সাময়িকভাবে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন