ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণের পর এবার আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইলেকশন কমিশন অব বাংলাদেশ। ইসি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় স্থানীয় ভোটে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীকে ফৌজদারি কার্যবিধি এবং ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধান অনুযায়ী সহায়তায় ডাকা হতে পারে। ইসির একজন নির্বাচন কমিশনার জানান, জাতীয় নির্বাচন ক্ষমতা হস্তান্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সেখানে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভিন্ন প্রকৃতির হওয়ায় আপাতত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে। এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে অতীতের সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, স্থানীয় ভোটে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা অতীতে বেশি দেখা গেছে। তাই রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি, যাতে কোনোভাবেই সহিংস পরিবেশ তৈরি না হয়। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একা সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে না। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, গণমাধ্যম এবং ভোটারদের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। ইসি সূত্রে জানা যায়, দেশে হাজারের বেশি ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে। তবে নির্বাচন আয়োজনের চূড়ান্ত সময়সূচি অনেকটাই সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে অনেক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। শুধু ইউনিয়ন পরিষদেই এখনো নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্বে আছেন। এস.আর
বিষয় : স্থানীয় নির্বাচন ইসি

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণের পর এবার আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইলেকশন কমিশন অব বাংলাদেশ। ইসি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় স্থানীয় ভোটে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীকে ফৌজদারি কার্যবিধি এবং ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধান অনুযায়ী সহায়তায় ডাকা হতে পারে। ইসির একজন নির্বাচন কমিশনার জানান, জাতীয় নির্বাচন ক্ষমতা হস্তান্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সেখানে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভিন্ন প্রকৃতির হওয়ায় আপাতত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে। এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে অতীতের সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, স্থানীয় ভোটে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা অতীতে বেশি দেখা গেছে। তাই রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি, যাতে কোনোভাবেই সহিংস পরিবেশ তৈরি না হয়। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একা সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে না। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, গণমাধ্যম এবং ভোটারদের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। ইসি সূত্রে জানা যায়, দেশে হাজারের বেশি ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন উপযোগী অবস্থায় রয়েছে। তবে নির্বাচন আয়োজনের চূড়ান্ত সময়সূচি অনেকটাই সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে অনেক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। শুধু ইউনিয়ন পরিষদেই এখনো নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্বে আছেন। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন