নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দোলনায় ঘুমিয়ে থাকা ৪৫ দিনের এক শিশুকে বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের বান্দাইপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অসুস্থ শিশুটির নাম আয়েশা। সে বান্দাইপুর গ্রামের আরিফুল ইসলামের মেয়ে।
পরিবারের বরাতে জানা যায়, সকালে শিশুটিকে ঘরে দোলনায় রেখে তার মা কিছুক্ষণের জন্য প্রতিবেশীর বাড়িতে যান। পরে শিশুর কান্নার শব্দ শুনে দ্রুত ফিরে এসে তিনি দেখেন শিশুটি অস্বাভাবিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কোলে নেওয়ার পর শিশুর মুখ থেকে ফেনা বের হতে থাকে এবং বিষের মতো তীব্র গন্ধ পাওয়া যায়।
তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কে বা কারা এ নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দোলনায় ঘুমিয়ে থাকা ৪৫ দিনের এক শিশুকে বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের বান্দাইপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অসুস্থ শিশুটির নাম আয়েশা। সে বান্দাইপুর গ্রামের আরিফুল ইসলামের মেয়ে।
পরিবারের বরাতে জানা যায়, সকালে শিশুটিকে ঘরে দোলনায় রেখে তার মা কিছুক্ষণের জন্য প্রতিবেশীর বাড়িতে যান। পরে শিশুর কান্নার শব্দ শুনে দ্রুত ফিরে এসে তিনি দেখেন শিশুটি অস্বাভাবিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কোলে নেওয়ার পর শিশুর মুখ থেকে ফেনা বের হতে থাকে এবং বিষের মতো তীব্র গন্ধ পাওয়া যায়।
তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কে বা কারা এ নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন