গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর শিল্প ও সাধারণ গ্রাহকরা ঠিকাদারদের কাছে কার্যত জিম্মি হয়ে আছেন। মানুষের মৌলিক চাহিদা বিদ্যুতের সংযোগ পেতে এখানে ঠিকাদারদের অবাধে চলছে দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য। বিদ্যুৎ প্রত্যাশীরা বিদ্যুতের জন্য আবেদন করলে অফিস তদন্ত শেষে তা টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদারের কাছে হস্তান্তর করে, আর ঠিক তখন থেকেই শুরু হয় হয়রানি। আবাসিক এবং শিল্প গ্রাহকদের লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে ঠিকাদাররা আগে থেকেই যোগাযোগ করে শুরু করে ঘুষ বাণিজ্যের চুক্তি। অভিযোগ পাওয়া গেছে, আবাসিক গ্রাহকের ক্ষেত্রে একটি খুঁটি লাইন নির্মাণ করতে সর্বনিম্ন দশ হাজার টাকা এবং শিল্প গ্রাহকের ক্ষেত্রে এক লক্ষ টাকার উপরে ঘুষ দাবি করা হয়। তাদের সাথে আগে টাকার চুক্তি না হলে তারা কোনো কাজই সফলভাবে সম্পন্ন করে না।
এ ব্যাপারে গ্রাহককে হতে হয় চরম হয়রানির শিকার। বিদ্যুৎ প্রত্যাশী গ্রাহক অফিসে যোগাযোগ করলে বলা হয় ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগ করতে, আবার ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে অফিসে যোগাযোগ করতে। যাদের সাথে টাকার চুক্তিতে মেলে, তাদের কাজ দ্রুত হয়ে যায়। কিন্তু চুক্তিতে না মিললে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরইবি)-এর তথ্য মতে শিল্প গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে সংযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও, গ্রাহকদের ঘুরতে হচ্ছে মাসের পর মাস। একজন শিল্প গ্রাহক ৩০/৬/২৫ তারিখে জামানতের টাকা জমা দিলেও আজ পর্যন্ত তাঁকে সংযোগ প্রদান করা হয়নি। এ ব্যাপারে পুবাইল অফিসে যোগাযোগ করলে ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগের কথা বলা হয়।
পুবাইলের কুদাব গ্রামের আবাসিক গ্রাহকের লট নাম্বার ২৫/১০৭১ এর ঠিকাদারকে বিশ হাজার টাকা দিয়েও আট মাস যাবত সংযোগ মিলছে না। তিনি বিআরইবি-তে ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না। ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা হুমকি স্বরূপ কথা বলে। অফিসের নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। ঠিকাদারকে বললে তারা বলে "আমি কাজ ক্লোজ করে দিয়েছি, আমার কিছুই করার নাই।" পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ 'দিচ্ছি দিচ্ছি' করে মাসের পর মাস গ্রাহককে হয়রানি করছে। ঠিকাদাররা আরও জানায়, ২৫ কেভিআর (KVR)-এর ওপরে কোনো ট্রান্সফর্মার আবাসিক বা শিল্প ক্ষেত্রে নিতে হলে জেনারেল ম্যানেজারের অনুমতি লাগে। অফিসের বিভিন্ন অফিসারদের নামে টাকা দাবি করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। ভুক্তভোগীরা দ্রুত এদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর শিল্প ও সাধারণ গ্রাহকরা ঠিকাদারদের কাছে কার্যত জিম্মি হয়ে আছেন। মানুষের মৌলিক চাহিদা বিদ্যুতের সংযোগ পেতে এখানে ঠিকাদারদের অবাধে চলছে দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য। বিদ্যুৎ প্রত্যাশীরা বিদ্যুতের জন্য আবেদন করলে অফিস তদন্ত শেষে তা টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদারের কাছে হস্তান্তর করে, আর ঠিক তখন থেকেই শুরু হয় হয়রানি। আবাসিক এবং শিল্প গ্রাহকদের লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে ঠিকাদাররা আগে থেকেই যোগাযোগ করে শুরু করে ঘুষ বাণিজ্যের চুক্তি। অভিযোগ পাওয়া গেছে, আবাসিক গ্রাহকের ক্ষেত্রে একটি খুঁটি লাইন নির্মাণ করতে সর্বনিম্ন দশ হাজার টাকা এবং শিল্প গ্রাহকের ক্ষেত্রে এক লক্ষ টাকার উপরে ঘুষ দাবি করা হয়। তাদের সাথে আগে টাকার চুক্তি না হলে তারা কোনো কাজই সফলভাবে সম্পন্ন করে না।
এ ব্যাপারে গ্রাহককে হতে হয় চরম হয়রানির শিকার। বিদ্যুৎ প্রত্যাশী গ্রাহক অফিসে যোগাযোগ করলে বলা হয় ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগ করতে, আবার ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে অফিসে যোগাযোগ করতে। যাদের সাথে টাকার চুক্তিতে মেলে, তাদের কাজ দ্রুত হয়ে যায়। কিন্তু চুক্তিতে না মিললে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরইবি)-এর তথ্য মতে শিল্প গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে সংযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও, গ্রাহকদের ঘুরতে হচ্ছে মাসের পর মাস। একজন শিল্প গ্রাহক ৩০/৬/২৫ তারিখে জামানতের টাকা জমা দিলেও আজ পর্যন্ত তাঁকে সংযোগ প্রদান করা হয়নি। এ ব্যাপারে পুবাইল অফিসে যোগাযোগ করলে ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগের কথা বলা হয়।
পুবাইলের কুদাব গ্রামের আবাসিক গ্রাহকের লট নাম্বার ২৫/১০৭১ এর ঠিকাদারকে বিশ হাজার টাকা দিয়েও আট মাস যাবত সংযোগ মিলছে না। তিনি বিআরইবি-তে ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না। ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা হুমকি স্বরূপ কথা বলে। অফিসের নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। ঠিকাদারকে বললে তারা বলে "আমি কাজ ক্লোজ করে দিয়েছি, আমার কিছুই করার নাই।" পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ 'দিচ্ছি দিচ্ছি' করে মাসের পর মাস গ্রাহককে হয়রানি করছে। ঠিকাদাররা আরও জানায়, ২৫ কেভিআর (KVR)-এর ওপরে কোনো ট্রান্সফর্মার আবাসিক বা শিল্প ক্ষেত্রে নিতে হলে জেনারেল ম্যানেজারের অনুমতি লাগে। অফিসের বিভিন্ন অফিসারদের নামে টাকা দাবি করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। ভুক্তভোগীরা দ্রুত এদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন