ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

‘থার্ড টার্মিনাল চালু হলে যাত্রী ধারণক্ষমতা দ্বিগুণ বাড়বে’


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬

‘থার্ড টার্মিনাল চালু হলে যাত্রী ধারণক্ষমতা দ্বিগুণ বাড়বে’

দেশের আকাশপথের ইতিহাসে এক বিশাল পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনাল। সরকারের সবশেষ পরিকল্পনা ও আজকের বিভিন্ন সংবাদ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে সচল হলে বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরটি বছরে প্রায় ৮০ লাখ যাত্রীকে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা রাখে, যা থার্ড টার্মিনাল চালুর পর ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ পর্যন্ত অতিরিক্ত যাত্রী ধারণ করতে পারবে। ফলে সব মিলিয়ে বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী সেবার পরিধি প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখে গিয়ে ঠেকবে, যা এভিয়েশন সেক্টরে এক নতুন যুগের সূচনা করবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই প্রকল্পের অবকাঠামোগত কাজ ইতিমধ্যে ৯৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের শুভক্ষণে এই আধুনিক টার্মিনালটি দেশের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। প্রায় ৫.৪২ লক্ষ বর্গমিটার আয়তনের এই বিশালাকার টার্মিনালটিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা যাত্রী দুর্ভোগ কমিয়ে সেবার মানকে বৈশ্বিক উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা এবং আধুনিক চেক-ইন কাউন্টারগুলোর কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যাত্রী সেবার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনেও এই টার্মিনালটি বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বর্তমানে বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ৫ লাখ টনের আশেপাশে থাকলেও নতুন প্রকল্পের অধীনে এটি প্রায় ৯ লাখ টনে উন্নীত হবে। এতে তৈরি পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য পচনশীল পণ্য রপ্তানিতে ব্যবসায়ীরা বাড়তি সুবিধা পাবেন। জাপানি একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই টার্মিনালের ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ পরিচালিত হবে, যা বিমানবন্দরের সেবার মান আন্তর্জাতিক মানের করতে সহায়ক হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, থার্ড টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী এভিয়েশন হাবে পরিণত হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পর্যটন শিল্পে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


‘থার্ড টার্মিনাল চালু হলে যাত্রী ধারণক্ষমতা দ্বিগুণ বাড়বে’

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

দেশের আকাশপথের ইতিহাসে এক বিশাল পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত থার্ড টার্মিনাল। সরকারের সবশেষ পরিকল্পনা ও আজকের বিভিন্ন সংবাদ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে সচল হলে বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরটি বছরে প্রায় ৮০ লাখ যাত্রীকে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা রাখে, যা থার্ড টার্মিনাল চালুর পর ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ পর্যন্ত অতিরিক্ত যাত্রী ধারণ করতে পারবে। ফলে সব মিলিয়ে বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী সেবার পরিধি প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখে গিয়ে ঠেকবে, যা এভিয়েশন সেক্টরে এক নতুন যুগের সূচনা করবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই প্রকল্পের অবকাঠামোগত কাজ ইতিমধ্যে ৯৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের শুভক্ষণে এই আধুনিক টার্মিনালটি দেশের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। প্রায় ৫.৪২ লক্ষ বর্গমিটার আয়তনের এই বিশালাকার টার্মিনালটিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা যাত্রী দুর্ভোগ কমিয়ে সেবার মানকে বৈশ্বিক উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা এবং আধুনিক চেক-ইন কাউন্টারগুলোর কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যাত্রী সেবার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনেও এই টার্মিনালটি বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বর্তমানে বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ৫ লাখ টনের আশেপাশে থাকলেও নতুন প্রকল্পের অধীনে এটি প্রায় ৯ লাখ টনে উন্নীত হবে। এতে তৈরি পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য পচনশীল পণ্য রপ্তানিতে ব্যবসায়ীরা বাড়তি সুবিধা পাবেন। জাপানি একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এই টার্মিনালের ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ পরিচালিত হবে, যা বিমানবন্দরের সেবার মান আন্তর্জাতিক মানের করতে সহায়ক হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, থার্ড টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী এভিয়েশন হাবে পরিণত হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পর্যটন শিল্পে নতুন গতি সঞ্চার করবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ