কুরবানির ঈদ সামনে রেখে মতলব উত্তর উপজজেলায় গরুর ভাইরাসজনিত চর্মরোগ লাম্পি স্কিন ডিজিজ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে শত শত গরু আক্রান্ত হওয়ায় খামারি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেক খামারি ইতোমধ্যে গরু হারিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
আক্রান্ত গরুর শরীরে গুটি, জ্বর, ক্ষত এবং চামড়া পচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। খামারিদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সরকারি ভ্যাকসিন না থাকায় রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। ব্যয়বহুল চিকিৎসার পরও অনেক গরু বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে কুরবানিকেন্দ্রিক পশুর বাজারে বড় ধরনের ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ইসলামাবাদ, সুলতানাবাদ, ফরাজিকান্দি, এখলাসপুর, জহিরাবাদ, ষাটনল, সাদুল্ল্যাপুর, বাগানবাড়ি, ফতেহপুর ইউনিয়ন এবং ছেংগারচর পৌর এলাকার প্রায় সব গ্রামেই গরু আক্রান্ত হয়েছে। এতে দুধ উৎপাদন কমছে, চামড়া নষ্ট হচ্ছে এবং পশুর বাজারমূল্য কমে যাচ্ছে।
গজরা ইউনিয়নের এক খামারির প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের গরু মারা গেছে। ছেংগারচর পৌর এলাকার একাধিক খামারিও একই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, চিকিৎসা করিয়েও গরু বাঁচানো যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশা ও মাছির মাধ্যমে রোগটি দ্রুত ছড়ায় এবং বর্ষাকালে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকার ডেইরি শিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে।
ডা. শ্যামল চন্দ্র দাস জানান, রোগটির নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত পশুকে আলাদা রাখতে হবে, খামার পরিষ্কার রাখতে হবে এবং দ্রুত নিবন্ধিত প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
তিনি আরও জানান, উপজেলায় এখন পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক গরু আক্রান্ত হয়েছে। চলতি বছরে সরকারিভাবে প্রায় ৮০০ গরুকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে, তবে ভ্যাকসিনের সরবরাহ সীমিত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
কুরবানির ঈদ সামনে রেখে মতলব উত্তর উপজজেলায় গরুর ভাইরাসজনিত চর্মরোগ লাম্পি স্কিন ডিজিজ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে শত শত গরু আক্রান্ত হওয়ায় খামারি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেক খামারি ইতোমধ্যে গরু হারিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
আক্রান্ত গরুর শরীরে গুটি, জ্বর, ক্ষত এবং চামড়া পচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। খামারিদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সরকারি ভ্যাকসিন না থাকায় রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। ব্যয়বহুল চিকিৎসার পরও অনেক গরু বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে কুরবানিকেন্দ্রিক পশুর বাজারে বড় ধরনের ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ইসলামাবাদ, সুলতানাবাদ, ফরাজিকান্দি, এখলাসপুর, জহিরাবাদ, ষাটনল, সাদুল্ল্যাপুর, বাগানবাড়ি, ফতেহপুর ইউনিয়ন এবং ছেংগারচর পৌর এলাকার প্রায় সব গ্রামেই গরু আক্রান্ত হয়েছে। এতে দুধ উৎপাদন কমছে, চামড়া নষ্ট হচ্ছে এবং পশুর বাজারমূল্য কমে যাচ্ছে।
গজরা ইউনিয়নের এক খামারির প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের গরু মারা গেছে। ছেংগারচর পৌর এলাকার একাধিক খামারিও একই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, চিকিৎসা করিয়েও গরু বাঁচানো যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশা ও মাছির মাধ্যমে রোগটি দ্রুত ছড়ায় এবং বর্ষাকালে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকার ডেইরি শিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে।
ডা. শ্যামল চন্দ্র দাস জানান, রোগটির নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত পশুকে আলাদা রাখতে হবে, খামার পরিষ্কার রাখতে হবে এবং দ্রুত নিবন্ধিত প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
তিনি আরও জানান, উপজেলায় এখন পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক গরু আক্রান্ত হয়েছে। চলতি বছরে সরকারিভাবে প্রায় ৮০০ গরুকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে, তবে ভ্যাকসিনের সরবরাহ সীমিত।

আপনার মতামত লিখুন