বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের হাইকোর্ট পারমিশন মৌখিক পরীক্ষার সনদ সংক্রান্ত কার্যক্রমে অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহায়ক মো. রাব্বিল মিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না—এ বিষয়ে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৌখিক পরীক্ষার জন্য সাময়িক সনদ বিতরণ ও উত্তোলন কার্যক্রম চলাকালে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে একজন আইনজীবীর কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ করেন রাব্বিল মিয়া—এমন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনাকে গুরুতর অসদাচরণ, দায়িত্বে অবহেলা এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার পরিপন্থি হিসেবে উল্লেখ করে বার কাউন্সিল চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কারণ দর্শানোর সন্তোষজনক জবাব না দিলে তার বিরুদ্ধে স্থায়ী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী মূল বেতনের অর্ধেক ভাতা পাবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের হাইকোর্ট পারমিশন মৌখিক পরীক্ষার সনদ সংক্রান্ত কার্যক্রমে অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহায়ক মো. রাব্বিল মিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না—এ বিষয়ে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৌখিক পরীক্ষার জন্য সাময়িক সনদ বিতরণ ও উত্তোলন কার্যক্রম চলাকালে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে একজন আইনজীবীর কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ করেন রাব্বিল মিয়া—এমন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনাকে গুরুতর অসদাচরণ, দায়িত্বে অবহেলা এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার পরিপন্থি হিসেবে উল্লেখ করে বার কাউন্সিল চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কারণ দর্শানোর সন্তোষজনক জবাব না দিলে তার বিরুদ্ধে স্থায়ী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী মূল বেতনের অর্ধেক ভাতা পাবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন