বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় থাকা এই নেত্রীর সুস্থতা কামনায় দেশব্যাপী দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার ধারাবাহিকতায়, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিকের উদ্যোগে একযোগে ৭টি মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজ শেষে এসব মসজিদে হাজারো মুসল্লি মোনাজাতে অংশ নেন।
বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কর্মী-সমর্থক, কৃষক, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমজীবীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই আয়োজনে উপস্থিত হন। জুমার নামাজ শেষে মসজিদের ভেতর এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে অনেকে নীরবে কান্না করেন। উপস্থিত জনতা মনে করেন, দেশের মানুষের জন্য যিনি বারবার জেল, হত্যা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন, তাঁর শান্তি, সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করা তাঁদের নৈতিক কর্তব্য।
নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করেন, জাতির এই সংকটময় সময়ে সুস্থ হয়ে ফিরে আসলে দেশনেত্রী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে আরও দৃঢ় ভূমিকা পালন করবেন। এই দোয়া মাহফিল শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি গণআবেগ, একটি গণদাবি এবং জাতির ভবিষ্যতের প্রতি মানুষের আশা ও আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁরা হৃদয় থেকে মহান আল্লাহর দরবারে প্রাণের আবেদন জানান: "হে আল্লাহ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দ্রুত সুস্থতা দিন, দীর্ঘায়ু দিন, এবং তাঁকে আবার জাতির সেবা করার সুযোগ দিন।"

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় থাকা এই নেত্রীর সুস্থতা কামনায় দেশব্যাপী দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার ধারাবাহিকতায়, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিকের উদ্যোগে একযোগে ৭টি মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজ শেষে এসব মসজিদে হাজারো মুসল্লি মোনাজাতে অংশ নেন।
বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কর্মী-সমর্থক, কৃষক, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমজীবীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই আয়োজনে উপস্থিত হন। জুমার নামাজ শেষে মসজিদের ভেতর এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে অনেকে নীরবে কান্না করেন। উপস্থিত জনতা মনে করেন, দেশের মানুষের জন্য যিনি বারবার জেল, হত্যা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন, তাঁর শান্তি, সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করা তাঁদের নৈতিক কর্তব্য।
নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করেন, জাতির এই সংকটময় সময়ে সুস্থ হয়ে ফিরে আসলে দেশনেত্রী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে আরও দৃঢ় ভূমিকা পালন করবেন। এই দোয়া মাহফিল শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি গণআবেগ, একটি গণদাবি এবং জাতির ভবিষ্যতের প্রতি মানুষের আশা ও আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁরা হৃদয় থেকে মহান আল্লাহর দরবারে প্রাণের আবেদন জানান: "হে আল্লাহ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দ্রুত সুস্থতা দিন, দীর্ঘায়ু দিন, এবং তাঁকে আবার জাতির সেবা করার সুযোগ দিন।"

আপনার মতামত লিখুন