ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় উৎপল সরকার (২৬) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে আটঘর ইউনিয়নের গৌরদিয়া গ্রামের কালীতলা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত উৎপল সরকার ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের রনকাইল গ্রামের অজয় কুমার সরকারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ভোরে উৎপল সরকার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মাছ কিনতে যাচ্ছিলেন। পথে কালীতলা ব্রীজের কাছে অজ্ঞাতনামা ৩–৪ জন দুর্বৃত্ত তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। হামলাকারীরা তাঁর সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক ফিরোজ মোল্লাকে গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে ব্রীজের রেলিংয়ের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
সংবাদ পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। সালথা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মারুফ হাসান রাসেল বলেন, "মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" ঘটনাটির পর এলাকায় চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং জনমনে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় উৎপল সরকার (২৬) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে আটঘর ইউনিয়নের গৌরদিয়া গ্রামের কালীতলা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত উৎপল সরকার ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের রনকাইল গ্রামের অজয় কুমার সরকারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ভোরে উৎপল সরকার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মাছ কিনতে যাচ্ছিলেন। পথে কালীতলা ব্রীজের কাছে অজ্ঞাতনামা ৩–৪ জন দুর্বৃত্ত তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। হামলাকারীরা তাঁর সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক ফিরোজ মোল্লাকে গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে ব্রীজের রেলিংয়ের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
সংবাদ পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। সালথা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মারুফ হাসান রাসেল বলেন, "মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" ঘটনাটির পর এলাকায় চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং জনমনে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন