আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে প্রায় দুই যুগ আগের এক দুর্নীতি মামলায় আজ ৭ মে ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে। ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শামীমা আফরোজ এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আগামী ২২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। তোফায়েল আহমেদ এবং মামলার অন্যতম সহযোগী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে জারিকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানা বহাল রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের পলাতক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ করা হয় যে, তোফায়েল আহমেদ তার মন্ত্রীত্বের মেয়াদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্জন ও আত্মসাৎ করেছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থ বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্থানান্তর করে গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে মামলার কার্যক্রম থমকে থাকলেও ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই বাধা সরে যায় এবং বিচার প্রক্রিয়া পুনরায় সচল হয়।
শুনানিকালে তোফায়েল আহমেদের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, ৮২ বছর বয়সী এই নেতা বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। আসামিপক্ষ থেকে তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন জানানো হলেও আদালত তা গ্রহণ না করে বিচার কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামি মোশাররফ হোসেন বর্তমানে জামিনে থাকলেও তোফায়েল আহমেদ সশরীরে আত্মসমর্পণ না করায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা বহাল রয়েছে। আগামী ২২ জুন বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মামলার পরবর্তী আইনি ধাপ শুরু হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে প্রায় দুই যুগ আগের এক দুর্নীতি মামলায় আজ ৭ মে ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে। ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শামীমা আফরোজ এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আগামী ২২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। তোফায়েল আহমেদ এবং মামলার অন্যতম সহযোগী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে জারিকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানা বহাল রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের পলাতক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ করা হয় যে, তোফায়েল আহমেদ তার মন্ত্রীত্বের মেয়াদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্জন ও আত্মসাৎ করেছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থ বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্থানান্তর করে গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে মামলার কার্যক্রম থমকে থাকলেও ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই বাধা সরে যায় এবং বিচার প্রক্রিয়া পুনরায় সচল হয়।
শুনানিকালে তোফায়েল আহমেদের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, ৮২ বছর বয়সী এই নেতা বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। আসামিপক্ষ থেকে তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন জানানো হলেও আদালত তা গ্রহণ না করে বিচার কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামি মোশাররফ হোসেন বর্তমানে জামিনে থাকলেও তোফায়েল আহমেদ সশরীরে আত্মসমর্পণ না করায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা বহাল রয়েছে। আগামী ২২ জুন বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মামলার পরবর্তী আইনি ধাপ শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন