দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সন্তোষজনক উন্নতি হওয়ায় মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত সেনাবাহিনীকে পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করেন যে, আগামী জুন মাসের মধ্যেই সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে। বর্তমানে পুলিশসহ অন্যান্য বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হওয়ায় সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান, মূলত ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীকে যে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং সরকার তা আর বৃদ্ধি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনী কেবল ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বা বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের কাঠামোর আওতায় মাঠ পর্যায়ে অবস্থান করছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করার ফলে সেনাবাহিনীর নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় তাদের নিজস্ব কর্মস্থলে ফিরিয়ে নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী জানান যে, এটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে। আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশের দুর্গম ও দূরবর্তী অঞ্চলগুলোতে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পগুলো সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ধীরে ধীরে জেলা সদর এবং বড় বিভাগীয় শহরগুলো থেকে সেনা সদস্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে আনা হবে। তবে মাঠ পর্যায় থেকে চলে আসলেও যেকোনো বড় ধরনের সংকট বা জরুরি প্রয়োজনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী বরাবরের মতোই প্রস্তুত থাকবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে দেশের স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল পরিস্থিতির একটি ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সন্তোষজনক উন্নতি হওয়ায় মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত সেনাবাহিনীকে পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করেন যে, আগামী জুন মাসের মধ্যেই সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে। বর্তমানে পুলিশসহ অন্যান্য বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হওয়ায় সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান, মূলত ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনীকে যে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং সরকার তা আর বৃদ্ধি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনী কেবল ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বা বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের কাঠামোর আওতায় মাঠ পর্যায়ে অবস্থান করছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করার ফলে সেনাবাহিনীর নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় তাদের নিজস্ব কর্মস্থলে ফিরিয়ে নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী জানান যে, এটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হবে। আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশের দুর্গম ও দূরবর্তী অঞ্চলগুলোতে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পগুলো সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ধীরে ধীরে জেলা সদর এবং বড় বিভাগীয় শহরগুলো থেকে সেনা সদস্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে আনা হবে। তবে মাঠ পর্যায় থেকে চলে আসলেও যেকোনো বড় ধরনের সংকট বা জরুরি প্রয়োজনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী বরাবরের মতোই প্রস্তুত থাকবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে দেশের স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল পরিস্থিতির একটি ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকরা।

আপনার মতামত লিখুন