ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থিতা বাতিল সংক্রান্ত রিটের শুনানিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। তিনি জানিয়েছেন, নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির গেজেট বা শপথ গ্রহণের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়নি; শুধু রুল চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) হাইকোর্টে রিট আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং বিষয়টি পরবর্তী আদেশের জন্য রাখা হয়। মনিরার প্রার্থিতা বাতিলের পর নির্বাচন কমিশন নুসরাত তাবাসসুমকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
মনিরা শারমিন তার দেওয়া বক্তব্যে জানান, তার পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে কোনো স্থগিতাদেশ চাননি, কারণ নুসরাতের গেজেট বা শপথ নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তাই বিষয়টি নিয়ে শুধু আইনি ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের উপস্থিতি ছিল এবং রাষ্ট্রপক্ষ রিটের বিরোধিতা করে জানিয়েছে, গেজেট প্রকাশের পর রুলের মাধ্যমে কোনো বাস্তব প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
মনিরা শারমিন আইনটির সমালোচনা করে বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পেশার মানুষকে অংশগ্রহণে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক। তার মতে, শিক্ষিত ও পেশাজীবীদের রাজনীতিতে আসার সুযোগ থাকা উচিত এবং কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থিতা বাতিল সংক্রান্ত রিটের শুনানিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। তিনি জানিয়েছেন, নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির গেজেট বা শপথ গ্রহণের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়নি; শুধু রুল চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) হাইকোর্টে রিট আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং বিষয়টি পরবর্তী আদেশের জন্য রাখা হয়। মনিরার প্রার্থিতা বাতিলের পর নির্বাচন কমিশন নুসরাত তাবাসসুমকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
মনিরা শারমিন তার দেওয়া বক্তব্যে জানান, তার পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে কোনো স্থগিতাদেশ চাননি, কারণ নুসরাতের গেজেট বা শপথ নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তাই বিষয়টি নিয়ে শুধু আইনি ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের উপস্থিতি ছিল এবং রাষ্ট্রপক্ষ রিটের বিরোধিতা করে জানিয়েছে, গেজেট প্রকাশের পর রুলের মাধ্যমে কোনো বাস্তব প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
মনিরা শারমিন আইনটির সমালোচনা করে বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পেশার মানুষকে অংশগ্রহণে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক। তার মতে, শিক্ষিত ও পেশাজীবীদের রাজনীতিতে আসার সুযোগ থাকা উচিত এবং কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন