প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অভিবাসী শ্রমিকদের কেবল শ্রমশক্তি হিসেবে নয়, বরং অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
স্থানীয় সময় বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের মাল্টি-স্টেকহোল্ডার রাউন্ড টেবিলে তিনি সহ-সভাপতির বক্তব্য দেন।
তিনি অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় নির্ভুল ও তুলনাযোগ্য তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, জাতীয় পরিসংখ্যান সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে মানবাধিকার ও গোপনীয়তা সুরক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত করার কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সেবা কেন্দ্র এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসনের প্রতিটি ধাপে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, গৃহকর্মী, কৃষি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিকরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন, তাই তাদের সুরক্ষায় অধিকারভিত্তিক নীতি গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি ভ্রান্ত তথ্য ও অভিবাসনবিরোধী প্রচারণা মোকাবিলায় জনসচেতনতা ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
সবশেষে তিনি বলেন, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে অভিবাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্র ও সমাজ—উভয়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অভিবাসী শ্রমিকদের কেবল শ্রমশক্তি হিসেবে নয়, বরং অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
স্থানীয় সময় বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের মাল্টি-স্টেকহোল্ডার রাউন্ড টেবিলে তিনি সহ-সভাপতির বক্তব্য দেন।
তিনি অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় নির্ভুল ও তুলনাযোগ্য তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, জাতীয় পরিসংখ্যান সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে মানবাধিকার ও গোপনীয়তা সুরক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত করার কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সেবা কেন্দ্র এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসনের প্রতিটি ধাপে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, গৃহকর্মী, কৃষি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিকরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন, তাই তাদের সুরক্ষায় অধিকারভিত্তিক নীতি গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি ভ্রান্ত তথ্য ও অভিবাসনবিরোধী প্রচারণা মোকাবিলায় জনসচেতনতা ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
সবশেষে তিনি বলেন, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে অভিবাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্র ও সমাজ—উভয়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন