শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার উপকণ্ঠ কসবা কাচারীপাড়া মহল্লায় পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি জবরদখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। হযরত শাহ কামাল (র:) মাজার সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের জমি ফেরত পাওয়ার দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী হোসেন আলীর নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার ছেলে মোঃ আল আমিন সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জানান, তাদের পরিবারের মালিকানাধীন সিএস দাগ নং ২২০৪, এসএ খতিয়ান নং ৩০৯৭ এবং বিআরএস খতিয়ান নং ৮৫৬১সহ সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখিত মোট ১ একর ৩১ শতাংশ জমির মধ্যে ৫৫ শতাংশ জমি মাজার পরিচালনা কমিটি জবরদখল করে নিয়েছে।
আল আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের প্রয়াত দাদা আবুল হোসেন ফকির ও মোজাম্মেল হক দীর্ঘদিন ধরে হযরত শাহ কামাল (র:) মাজারের খাদেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাজারের মূল জমি প্রায় ৪৫ শতাংশের ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও, এর পাশের তাদের মালিকানাধীন জমির একটি অংশ মাজার কমিটি দখলে নিয়ে সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, জমির মালিকানা ফিরে পেতে তার বাবা হোসেন আলী বাদী হয়ে শেরপুর সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে জেলা প্রশাসক, সদস্য সচিব হিসেবে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আল আমিন বলেন, তাদের পূর্বপুরুষদের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে তারা জমির মালিকানা ভোগ করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই ওই জমির একটি অংশ দখল হয়ে যাওয়ায় তারা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি ন্যায়বিচারের মাধ্যমে জমি ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার উপকণ্ঠ কসবা কাচারীপাড়া মহল্লায় পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি জবরদখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। হযরত শাহ কামাল (র:) মাজার সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের জমি ফেরত পাওয়ার দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী হোসেন আলীর নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার ছেলে মোঃ আল আমিন সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জানান, তাদের পরিবারের মালিকানাধীন সিএস দাগ নং ২২০৪, এসএ খতিয়ান নং ৩০৯৭ এবং বিআরএস খতিয়ান নং ৮৫৬১সহ সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখিত মোট ১ একর ৩১ শতাংশ জমির মধ্যে ৫৫ শতাংশ জমি মাজার পরিচালনা কমিটি জবরদখল করে নিয়েছে।
আল আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের প্রয়াত দাদা আবুল হোসেন ফকির ও মোজাম্মেল হক দীর্ঘদিন ধরে হযরত শাহ কামাল (র:) মাজারের খাদেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাজারের মূল জমি প্রায় ৪৫ শতাংশের ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও, এর পাশের তাদের মালিকানাধীন জমির একটি অংশ মাজার কমিটি দখলে নিয়ে সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, জমির মালিকানা ফিরে পেতে তার বাবা হোসেন আলী বাদী হয়ে শেরপুর সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে জেলা প্রশাসক, সদস্য সচিব হিসেবে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আল আমিন বলেন, তাদের পূর্বপুরুষদের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে তারা জমির মালিকানা ভোগ করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই ওই জমির একটি অংশ দখল হয়ে যাওয়ায় তারা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি ন্যায়বিচারের মাধ্যমে জমি ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন