দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে, যা স্থানীয় জনজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়নের ‘কলাবাড়ী আরএইচডি-নেংড়াহাট রোড (ভায়া পার্বতীপুর)’ সড়কের এই উন্নয়ন কাজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর প্রত্যাশার কেন্দ্রে ছিল।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা, যাতে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সমানভাবে অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়।
একটি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সড়ক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, উন্নত সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠলে উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাত করা সম্ভব হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হয়ে উঠবে।
এই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর ঘোড়াঘাট শাখা। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, সড়কটির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমবে এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও দ্রুত হবে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহনে সুবিধা বাড়বে, যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পৌর ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে কাদামাটির কারণে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ত, ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এখন উন্নয়ন কাজ শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। ফলে ঘোড়াঘাট উপজেলার এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে, যা স্থানীয় জনজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়নের ‘কলাবাড়ী আরএইচডি-নেংড়াহাট রোড (ভায়া পার্বতীপুর)’ সড়কের এই উন্নয়ন কাজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর প্রত্যাশার কেন্দ্রে ছিল।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা, যাতে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সমানভাবে অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়।
একটি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সড়ক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, উন্নত সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠলে উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারজাত করা সম্ভব হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হয়ে উঠবে।
এই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর ঘোড়াঘাট শাখা। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, সড়কটির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমবে এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও দ্রুত হবে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহনে সুবিধা বাড়বে, যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পৌর ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে কাদামাটির কারণে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ত, ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এখন উন্নয়ন কাজ শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। ফলে ঘোড়াঘাট উপজেলার এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন