ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সিনেটে জাতীয় সংসদের পাঁচজন সদস্যকে (এমপি) মনোনীত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার এই মনোনয়ন প্রদান করেন। এটি ঢাবি সিনেটের নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ, যেখানে স্পিকার কোটা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে যুক্ত হওয়া এই পাঁচ এমপি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন।
মনোনীত পাঁচজন সংসদ সদস্য হলেন—ঢাকা-২ আসনের আমানুল্লাহ আমান, নরসিংদী-১ আসনের খায়রুল কবির খোকন, গাজীপুর-৫ আসনের এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের কামরুজ্জামান এবং সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের আমিরুল ইসলাম খান।
ঢাবি সিনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন, উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং একাডেমিক নীতিমালা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সিনেটে সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় রক্ষায় সহায়তা করে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
নতুন মনোনীত সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সিনেটের নিয়মিত কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মতামত প্রদান করবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সিনেটে জাতীয় সংসদের পাঁচজন সদস্যকে (এমপি) মনোনীত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার এই মনোনয়ন প্রদান করেন। এটি ঢাবি সিনেটের নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ, যেখানে স্পিকার কোটা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে যুক্ত হওয়া এই পাঁচ এমপি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন।
মনোনীত পাঁচজন সংসদ সদস্য হলেন—ঢাকা-২ আসনের আমানুল্লাহ আমান, নরসিংদী-১ আসনের খায়রুল কবির খোকন, গাজীপুর-৫ আসনের এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের কামরুজ্জামান এবং সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের আমিরুল ইসলাম খান।
ঢাবি সিনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন, উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং একাডেমিক নীতিমালা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সিনেটে সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় রক্ষায় সহায়তা করে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
নতুন মনোনীত সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সিনেটের নিয়মিত কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মতামত প্রদান করবেন।

আপনার মতামত লিখুন