কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য ও কটূক্তির অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জজ কোর্টের আইনজীবী নুরুল ইসলাম (নুরুল) এই নোটিশ পাঠান জাতীয় ছাত্রশক্তি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব মো. আই-ইয়াশ ইমনের পক্ষে।
নোটিশে বলা হয়েছে, মুফতি আমির হামজা বিভিন্ন সময় জনসম্মুখে বক্তব্য প্রদান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান সম্পর্কে আপত্তিকর, অবমাননাকর ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। এসব বক্তব্যের মাধ্যমে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, আমির হামজা তাকে “ফজু পাগলা” বলে আখ্যায়িত করেন এবং তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর মন্তব্য করেন। এমনকি “কুকুর মারা ইনজেকশন দেওয়ার” মতো আপত্তিকর বক্তব্যও দিয়েছেন বলে নোটিশে অভিযোগ করা হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়, এসব বক্তব্যের কারণে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের সম্মানহানি ঘটেছে এবং তিনি সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
নোটিশ প্রাপ্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আমির হামজাকে তার বক্তব্যের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও জবাব দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না পেলে আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় যুবশক্তি নেতা মো. আই-ইয়াশ ইমন বলেন, “অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার মতো ব্যক্তিকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।”
অন্যদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি ঘিরে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য ও কটূক্তির অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জজ কোর্টের আইনজীবী নুরুল ইসলাম (নুরুল) এই নোটিশ পাঠান জাতীয় ছাত্রশক্তি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব মো. আই-ইয়াশ ইমনের পক্ষে।
নোটিশে বলা হয়েছে, মুফতি আমির হামজা বিভিন্ন সময় জনসম্মুখে বক্তব্য প্রদান ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান সম্পর্কে আপত্তিকর, অবমাননাকর ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। এসব বক্তব্যের মাধ্যমে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, আমির হামজা তাকে “ফজু পাগলা” বলে আখ্যায়িত করেন এবং তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর মন্তব্য করেন। এমনকি “কুকুর মারা ইনজেকশন দেওয়ার” মতো আপত্তিকর বক্তব্যও দিয়েছেন বলে নোটিশে অভিযোগ করা হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়, এসব বক্তব্যের কারণে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের সম্মানহানি ঘটেছে এবং তিনি সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
নোটিশ প্রাপ্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আমির হামজাকে তার বক্তব্যের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও জবাব দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না পেলে আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় যুবশক্তি নেতা মো. আই-ইয়াশ ইমন বলেন, “অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার মতো ব্যক্তিকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।”
অন্যদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি ঘিরে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন