ভারতে কারাভোগরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া বাংলাদেশি যুবক শিপন হাওলাদারের মরদেহ প্রায় ১৯ মাস পর দেশে ফিরেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা-এর নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ মরদেহটি বাংলাদেশের বিজিবি ও পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।
হস্তান্তরের সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিপন হাওলাদার বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা। প্রায় ১৯ মাস আগে তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফ তাকে আটক করে স্থানীয় পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে ভারতীয় আদালত অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদণ্ড প্রদান করে এবং তুরা কারাগার-এ পাঠানো হয়।
জানা যায়, আগামী ২৮ এপ্রিল তার কারাভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই গত বৃহস্পতিবার কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। বিজিবি ও পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মরদেহ হস্তান্তরকালে ভারতীয় বিএসএফ-এর পক্ষে ঢালু কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর কিমা রায়, বাংলাদেশের বিজিবির পক্ষে হাতিপাগার সুবেদার ফুল মিয়া সরকার এবং নালিতাবাড়ী থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা শিপন হাওলাদারের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুততার সঙ্গে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
ভারতে কারাভোগরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া বাংলাদেশি যুবক শিপন হাওলাদারের মরদেহ প্রায় ১৯ মাস পর দেশে ফিরেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা-এর নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ মরদেহটি বাংলাদেশের বিজিবি ও পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।
হস্তান্তরের সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিপন হাওলাদার বরগুনা সদর উপজেলার বাসিন্দা। প্রায় ১৯ মাস আগে তিনি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফ তাকে আটক করে স্থানীয় পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে ভারতীয় আদালত অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদণ্ড প্রদান করে এবং তুরা কারাগার-এ পাঠানো হয়।
জানা যায়, আগামী ২৮ এপ্রিল তার কারাভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই গত বৃহস্পতিবার কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। বিজিবি ও পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মরদেহ হস্তান্তরকালে ভারতীয় বিএসএফ-এর পক্ষে ঢালু কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর কিমা রায়, বাংলাদেশের বিজিবির পক্ষে হাতিপাগার সুবেদার ফুল মিয়া সরকার এবং নালিতাবাড়ী থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা শিপন হাওলাদারের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুততার সঙ্গে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন