পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বাদুরা বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল ও ভোজ্য তেল বিক্রির অভিযোগে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) র্যাব-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। বাজার মনিটরিং ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে এই অভিযানকে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিভিল পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয় এবং পরে বাদুরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ও ৪০ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দুইটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কঠোর সতর্কতা প্রদান করা হয়।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি এবং মজুতদারির মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
র্যাব আরও জানিয়েছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। পাশাপাশি সচেতন নাগরিকদেরও অনুরোধ করা হয়েছে—অবৈধ মজুতদারি ও অতিরিক্ত মুনাফার বিষয়ে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বাদুরা বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল ও ভোজ্য তেল বিক্রির অভিযোগে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) র্যাব-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। বাজার মনিটরিং ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে এই অভিযানকে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিভিল পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয় এবং পরে বাদুরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ও ৪০ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দুইটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কঠোর সতর্কতা প্রদান করা হয়।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি এবং মজুতদারির মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
র্যাব আরও জানিয়েছে, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। পাশাপাশি সচেতন নাগরিকদেরও অনুরোধ করা হয়েছে—অবৈধ মজুতদারি ও অতিরিক্ত মুনাফার বিষয়ে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে।

আপনার মতামত লিখুন