“সেবার ব্রতে চাকরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ-এ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ- ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর কার্যক্রমের প্রথম দিন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার শরীয়তপুর জেলা পুলিশ লাইনস মাঠে অনুষ্ঠিত এই নিয়োগ কার্যক্রমে প্রাথমিক বাছাই (প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং) শেষে নির্বাচিত প্রার্থীদের অংশগ্রহণে প্রথম দিনের ইভেন্ট হিসেবে “শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ” পরীক্ষা নেওয়া হয়। নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী উচ্চতা, বুকের মাপসহ শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রার্থীদের শিক্ষাগত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গভীরভাবে পরীক্ষা করা হয়।
নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি রওনক জাহান, পুলিশ সুপার, শরীয়তপুর-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুরো কার্যক্রম স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় নিয়োগ কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে প্রতিটি ধাপ পরিচালনা করেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ না থাকে।
শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার রওনক জাহান স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো দালালচক্র বা মধ্যস্থতাকারীর সাথে আর্থিক লেনদেন না করতে। তিনি জানান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থীদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে এবং এ বিষয়ে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
এদিন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), রাজবাড়ী; শেখ সাব্বির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), মাদারীপুর জেলা; এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধিগণ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শেখ শরীফ-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), শরীয়তপুরসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নিয়োগের অন্যান্য ধাপসমূহও সম্পন্ন করা হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীরাই পুলিশ বাহিনীতে যুক্ত হতে পারেন।
এই নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দক্ষ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
“সেবার ব্রতে চাকরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ-এ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ- ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর কার্যক্রমের প্রথম দিন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার শরীয়তপুর জেলা পুলিশ লাইনস মাঠে অনুষ্ঠিত এই নিয়োগ কার্যক্রমে প্রাথমিক বাছাই (প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং) শেষে নির্বাচিত প্রার্থীদের অংশগ্রহণে প্রথম দিনের ইভেন্ট হিসেবে “শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ” পরীক্ষা নেওয়া হয়। নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী উচ্চতা, বুকের মাপসহ শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রার্থীদের শিক্ষাগত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গভীরভাবে পরীক্ষা করা হয়।
নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি রওনক জাহান, পুলিশ সুপার, শরীয়তপুর-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুরো কার্যক্রম স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় নিয়োগ কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে প্রতিটি ধাপ পরিচালনা করেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ না থাকে।
শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার রওনক জাহান স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো দালালচক্র বা মধ্যস্থতাকারীর সাথে আর্থিক লেনদেন না করতে। তিনি জানান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থীদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে এবং এ বিষয়ে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
এদিন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), রাজবাড়ী; শেখ সাব্বির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), মাদারীপুর জেলা; এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধিগণ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শেখ শরীফ-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), শরীয়তপুরসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নিয়োগের অন্যান্য ধাপসমূহও সম্পন্ন করা হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীরাই পুলিশ বাহিনীতে যুক্ত হতে পারেন।
এই নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দক্ষ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন