নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় জেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে অবৈধভাবে মজুত রাখা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে গোদনাইল বার্মাস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ১ হাজার ১২০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জব্দকৃত জ্বালানির মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৫০ লিটার ডিজেল এবং ৭০ দশমিক ৫ লিটার অকটেন। এসব জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করে উচ্চমূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযান শেষে জব্দকৃত তেল সরকারি ব্যবস্থাপনায় সংরক্ষণের জন্য পদ্মা ডিপোর পরিচালনা কর্মকর্তা সালেহ সামিরের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জব্দকৃত তেলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বাজারজাত করে আসছিল। এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসন এখন আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
এদিকে, প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাদের মতে, জ্বালানি তেলের কালোবাজারি ও অবৈধ মজুত বন্ধ করা গেলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং সাধারণ মানুষও ন্যায্য মূল্যে জ্বালানি পাবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় জেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে অবৈধভাবে মজুত রাখা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে গোদনাইল বার্মাস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত এই অভিযানে মোট ১ হাজার ১২০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জব্দকৃত জ্বালানির মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৫০ লিটার ডিজেল এবং ৭০ দশমিক ৫ লিটার অকটেন। এসব জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করে উচ্চমূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযান শেষে জব্দকৃত তেল সরকারি ব্যবস্থাপনায় সংরক্ষণের জন্য পদ্মা ডিপোর পরিচালনা কর্মকর্তা সালেহ সামিরের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জব্দকৃত তেলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বাজারজাত করে আসছিল। এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসন এখন আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
এদিকে, প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাদের মতে, জ্বালানি তেলের কালোবাজারি ও অবৈধ মজুত বন্ধ করা গেলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং সাধারণ মানুষও ন্যায্য মূল্যে জ্বালানি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন