ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে পলি বেগম (২৬) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বাবার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত পলি বেগম ওই এলাকার নুর হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পলি বেগম বেশ কিছুদিন ধরে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য ও পারিবারিক কলহ চলছিল বলে এলাকাবাসীর দাবি। ঘটনার দিন সকালে তিনি নিজ কক্ষে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পরও কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা ডাকাডাকি করলেও কোনো উত্তর না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা তাকে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশীরা জানান, পলি বেগম শান্ত স্বভাবের ছিলেন, তবে পারিবারিক কলহ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্থির ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
কালামৃধা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামরুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পারিবারিক কলহের কারণেই পলি বেগম নিজ ঘরে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং তা পরে স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিত করা হলেও বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্তের সম্ভাবনার কথাও স্থানীয়ভাবে আলোচনা হচ্ছে। ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও হতাশার পরিবেশ বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে পলি বেগম (২৬) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বাবার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত পলি বেগম ওই এলাকার নুর হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পলি বেগম বেশ কিছুদিন ধরে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য ও পারিবারিক কলহ চলছিল বলে এলাকাবাসীর দাবি। ঘটনার দিন সকালে তিনি নিজ কক্ষে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পরও কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা ডাকাডাকি করলেও কোনো উত্তর না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা তাকে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশীরা জানান, পলি বেগম শান্ত স্বভাবের ছিলেন, তবে পারিবারিক কলহ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্থির ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
কালামৃধা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামরুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পারিবারিক কলহের কারণেই পলি বেগম নিজ ঘরে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং তা পরে স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিত করা হলেও বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্তের সম্ভাবনার কথাও স্থানীয়ভাবে আলোচনা হচ্ছে। ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও হতাশার পরিবেশ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন