লক্ষ্মীপুরে অটোরিকশা চালককে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ এলাকায় ফরহাদ হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে ফরহাদ হোসেনের বাড়ির পাশের একটি ফসলি মাঠে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। নিহত ফরহাদ পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফরহাদকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যার পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে শুরুতে কিছু জানা যায়নি।
এদিকে, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন একই এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে মো. শাকিল (২২), মৃত হাফিজ উল্যার ছেলে মো. সজল (২৫) এবং ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া থানার আবুল খায়েরের ছেলে মাহফুজুল ইসলাম মামুন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অন্যান্য জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে অটোরিকশা চালককে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ এলাকায় ফরহাদ হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে ফরহাদ হোসেনের বাড়ির পাশের একটি ফসলি মাঠে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। নিহত ফরহাদ পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফরহাদকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যার পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে শুরুতে কিছু জানা যায়নি।
এদিকে, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন একই এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে মো. শাকিল (২২), মৃত হাফিজ উল্যার ছেলে মো. সজল (২৫) এবং ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া থানার আবুল খায়েরের ছেলে মাহফুজুল ইসলাম মামুন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অন্যান্য জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন