চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার মেডিকেল গেইট এলাকায় পুরাতন থানার সামনে সয়াবিন তেলের অবৈধ মজুদ ও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে একটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পরিচালিত এই অভিযানে র্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদ আরমান।
অভিযানকালে একটি আবাসিক ভবনের ভেতরে অবস্থিত ‘আলম এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০ হাজার লিটার ভোজ্যতেল মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রশাসনের দাবি, এসব তেল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। পাশাপাশি মজুদের বৈধ কাগজপত্র দেখাতেও ব্যর্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়া পুরোনো স্টক শেষ হওয়ার আগেই নতুন চালান এনে মজুদ করা এবং কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয় বলে জানায় প্রশাসন। এসব অনিয়মের কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের সময় মেয়াদোত্তীর্ণ কিছু পণ্য জব্দ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন মজুদকৃত ভোজ্যতেল বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে পণ্য মজুদ না করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাজারে ভোজ্যতেলের প্রকৃত কোনো সংকট নেই। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার মেডিকেল গেইট এলাকায় পুরাতন থানার সামনে সয়াবিন তেলের অবৈধ মজুদ ও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে একটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পরিচালিত এই অভিযানে র্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদ আরমান।
অভিযানকালে একটি আবাসিক ভবনের ভেতরে অবস্থিত ‘আলম এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০ হাজার লিটার ভোজ্যতেল মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রশাসনের দাবি, এসব তেল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। পাশাপাশি মজুদের বৈধ কাগজপত্র দেখাতেও ব্যর্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়া পুরোনো স্টক শেষ হওয়ার আগেই নতুন চালান এনে মজুদ করা এবং কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয় বলে জানায় প্রশাসন। এসব অনিয়মের কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের সময় মেয়াদোত্তীর্ণ কিছু পণ্য জব্দ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন মজুদকৃত ভোজ্যতেল বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে পণ্য মজুদ না করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাজারে ভোজ্যতেলের প্রকৃত কোনো সংকট নেই। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন