শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও চৈত্র সংক্রান্তির আমেজকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণিল ‘চৈতালি মেলা’। শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়নের লোকাইরপাড় যুব সমাজের উদ্যোগে স্থানীয় খেলার মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়। পুরো এলাকা জুড়ে দিনভর ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
মেলা প্রাঙ্গণে দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপকরণ ও আয়োজন দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। সেখানে বসে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় খাবারের দোকান, হস্তশিল্প ও প্রসাধনীর স্টলসহ নানা পসরা। গ্রামের সহজ-সরল পরিবেশে এমন আয়োজন ঘিরে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে মেলা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা। প্রতিযোগিতামূলক এ খেলাকে ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে তৈরি হয় ব্যাপক উত্তেজনা ও উচ্ছ্বাস। পাশাপাশি সাইকেল খেলা প্রদর্শনে অংশগ্রহণকারী চালকদের দক্ষতা ও কৌশল দর্শকদের মুগ্ধ করে। স্থানীয় ঐতিহ্যের আরেকটি অংশ গাংগী খেলাও মেলায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে জায়গা করে নেয়।
বিকেল গড়াতেই লোকাইরপাড় ও আশপাশের গ্রাম থেকে নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ হাজারো মানুষের আগমনে মেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। দীর্ঘদিন পর এমন একটি গ্রামীণ উৎসবমুখর পরিবেশ পেয়ে স্থানীয়রা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
মেলায় বিভিন্ন খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক এবং শেরপুর জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ আল আমিন।
আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং হারিয়ে যাওয়া লোকজ খেলাধুলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই চৈতালি মেলার আয়োজন। এতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় দর্শনার্থীরাও এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রতি বছর নিয়মিতভাবে এ ধরনের মেলা আয়োজনের দাবি জানান। তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনই নয়, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও চৈত্র সংক্রান্তির আমেজকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণিল ‘চৈতালি মেলা’। শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়নের লোকাইরপাড় যুব সমাজের উদ্যোগে স্থানীয় খেলার মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়। পুরো এলাকা জুড়ে দিনভর ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
মেলা প্রাঙ্গণে দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপকরণ ও আয়োজন দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। সেখানে বসে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় খাবারের দোকান, হস্তশিল্প ও প্রসাধনীর স্টলসহ নানা পসরা। গ্রামের সহজ-সরল পরিবেশে এমন আয়োজন ঘিরে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে মেলা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা। প্রতিযোগিতামূলক এ খেলাকে ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে তৈরি হয় ব্যাপক উত্তেজনা ও উচ্ছ্বাস। পাশাপাশি সাইকেল খেলা প্রদর্শনে অংশগ্রহণকারী চালকদের দক্ষতা ও কৌশল দর্শকদের মুগ্ধ করে। স্থানীয় ঐতিহ্যের আরেকটি অংশ গাংগী খেলাও মেলায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে জায়গা করে নেয়।
বিকেল গড়াতেই লোকাইরপাড় ও আশপাশের গ্রাম থেকে নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ হাজারো মানুষের আগমনে মেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। দীর্ঘদিন পর এমন একটি গ্রামীণ উৎসবমুখর পরিবেশ পেয়ে স্থানীয়রা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
মেলায় বিভিন্ন খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক এবং শেরপুর জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ আল আমিন।
আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং হারিয়ে যাওয়া লোকজ খেলাধুলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই চৈতালি মেলার আয়োজন। এতে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় দর্শনার্থীরাও এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রতি বছর নিয়মিতভাবে এ ধরনের মেলা আয়োজনের দাবি জানান। তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনই নয়, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আপনার মতামত লিখুন