কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বুধবার বিকেলে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল সংগ্রহের সময় উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুসারে, উপজেলার সিদলা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম (৩০) মোবাইল কোর্ট চলাকালীন সময়ে নিয়ম অমান্য করে তেল নিতে গিয়ে লোকজন জড়ো করার চেষ্টা করেন এবং সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মাজহারুল ইসলাম ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গেলে মোবাইল কোর্টের দায়িত্বরত কর্মকর্তা তাঁকে অপেক্ষা করার নির্দেশ দেন। এরপর তিনি অনুমোদিত নিয়মের বাইরে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
অভিযোগ অস্বীকার করে মাজহারুল ইসলাম বলেন, “আমি তেল নেওয়ার জন্য কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করি নি। কেবল কয়েকজনকে লাইনের বাইরে গিয়ে তেল নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখেছিলাম, তাই প্রতিবাদ করেছিলাম।”
হোসেনপুর উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাফায়াতুল হাসান সম্রাট বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছিলেন হোসেনপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহসী মাসনাদ। তিনি জানান, “আমি দায়িত্ব পালনকালে কিছুটা দূরে এক যুবক কয়েকজনকে নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।”
স্থানীয়রা এই ধরনের ঘটনার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনা এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করলেও কর্তৃপক্ষ তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বুধবার বিকেলে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল সংগ্রহের সময় উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুসারে, উপজেলার সিদলা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম (৩০) মোবাইল কোর্ট চলাকালীন সময়ে নিয়ম অমান্য করে তেল নিতে গিয়ে লোকজন জড়ো করার চেষ্টা করেন এবং সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মাজহারুল ইসলাম ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গেলে মোবাইল কোর্টের দায়িত্বরত কর্মকর্তা তাঁকে অপেক্ষা করার নির্দেশ দেন। এরপর তিনি অনুমোদিত নিয়মের বাইরে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
অভিযোগ অস্বীকার করে মাজহারুল ইসলাম বলেন, “আমি তেল নেওয়ার জন্য কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করি নি। কেবল কয়েকজনকে লাইনের বাইরে গিয়ে তেল নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখেছিলাম, তাই প্রতিবাদ করেছিলাম।”
হোসেনপুর উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাফায়াতুল হাসান সম্রাট বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছিলেন হোসেনপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহসী মাসনাদ। তিনি জানান, “আমি দায়িত্ব পালনকালে কিছুটা দূরে এক যুবক কয়েকজনকে নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।”
স্থানীয়রা এই ধরনের ঘটনার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনা এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করলেও কর্তৃপক্ষ তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।

আপনার মতামত লিখুন