আগামীকাল বুধবার (৯ এপ্রিল) শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, দুই আসনে ভোট আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট পেপার, নির্বাচনী সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত কর্মকর্তাসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে গেছে।
শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত ছিল জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর ঘটনায়। ফলে ওই আসনে আগামীকাল পুনরায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ১৩ হাজার। অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে, কারণ নির্বাচিত প্রার্থী ঢাকা-১৭ আসন ধরে রাখায় বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয়েছে। আসনটিতে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার।
ইসি জানিয়েছে, সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা অথবা ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটকে কেন্দ্র করে বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার-ভিডিপি এবং সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স মাঠে রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।
ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। ইসি সচিব জানিয়েছেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে কমিশনের সবপর্যায়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
আগামীকাল বুধবার (৯ এপ্রিল) শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, দুই আসনে ভোট আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট পেপার, নির্বাচনী সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত কর্মকর্তাসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে গেছে।
শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত ছিল জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর ঘটনায়। ফলে ওই আসনে আগামীকাল পুনরায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ১৩ হাজার। অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে, কারণ নির্বাচিত প্রার্থী ঢাকা-১৭ আসন ধরে রাখায় বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয়েছে। আসনটিতে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার।
ইসি জানিয়েছে, সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টা অথবা ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটকে কেন্দ্র করে বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার-ভিডিপি এবং সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স মাঠে রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।
ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। ইসি সচিব জানিয়েছেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে কমিশনের সবপর্যায়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না।

আপনার মতামত লিখুন