নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় নিখোঁজের একদিন পর সৈকত (৭) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার উত্তর নরসিংপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সৈকত গাইবান্ধা জেলার আঞ্জু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় মাহমুদিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। তার পরিবার ফতুল্লার নরসিংপুর এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে। সৈকতের বাবা পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি এবং মা পোশাক কারখানার কর্মী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার দুপুর থেকে সৈকত নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। আজ সোমবার সকালে উত্তর নরসিংপুরের বক্তাবলী সড়কের পাশে হাসেম স্পিনিং মিল সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত স্থানে শিশুটির গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া) মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।"
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় নিখোঁজের একদিন পর সৈকত (৭) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার উত্তর নরসিংপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সৈকত গাইবান্ধা জেলার আঞ্জু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় মাহমুদিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। তার পরিবার ফতুল্লার নরসিংপুর এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে। সৈকতের বাবা পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি এবং মা পোশাক কারখানার কর্মী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার দুপুর থেকে সৈকত নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। আজ সোমবার সকালে উত্তর নরসিংপুরের বক্তাবলী সড়কের পাশে হাসেম স্পিনিং মিল সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত স্থানে শিশুটির গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া) মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।"
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন