সিঙ্গাপুরে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। আজ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সিঙ্গাপুরের নিযুক্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দক্ষ জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান ক্ষেত্র তৈরি করার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয় চাঙ্গি বিমানবন্দরসহ সিঙ্গাপুরের তিনটি প্রকল্পে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সম্ভাবনা। দুই পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার এবং দক্ষ জনশক্তি বিনিময় সম্প্রসারণের পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সিঙ্গাপুরের চাকরি বাজারে বর্তমানে দক্ষতা-ভিত্তিক নিয়োগই প্রধান প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার পরিবর্তে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং কাজ করার সক্ষমতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি এবং পিএমইটি (পেশাজীবী, ম্যানেজার, এক্সিকিউটিভ ও প্রযুক্তিবিদ) খাতে বিদেশি কর্মীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যদিও কিছু সেক্টরে চাকরির প্রস্তাবনা কমেছে, দক্ষ কর্মীদের জন্য এখনও নতুন এবং টেকসই চাকরির সুযোগ রয়েছে। সিঙ্গাপুর সরকার বিদেশী কর্মীদের নিয়োগ সহজ করার জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে, যা দক্ষ বাংলাদেশিদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বৈঠকের পরে জানান, “বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি বিদেশি বাজারে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে। আমরা চাই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও জোরদার করতে, যাতে প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়।”
সিঙ্গাপুরে দক্ষ জনশক্তি রফতানি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীরা এখন বৈদেশিক চাকরির বাজারে আরও সম্ভাবনাময় অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সিঙ্গাপুরে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। আজ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সিঙ্গাপুরের নিযুক্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দক্ষ জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান ক্ষেত্র তৈরি করার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয় চাঙ্গি বিমানবন্দরসহ সিঙ্গাপুরের তিনটি প্রকল্পে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সম্ভাবনা। দুই পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার এবং দক্ষ জনশক্তি বিনিময় সম্প্রসারণের পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সিঙ্গাপুরের চাকরি বাজারে বর্তমানে দক্ষতা-ভিত্তিক নিয়োগই প্রধান প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার পরিবর্তে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং কাজ করার সক্ষমতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি এবং পিএমইটি (পেশাজীবী, ম্যানেজার, এক্সিকিউটিভ ও প্রযুক্তিবিদ) খাতে বিদেশি কর্মীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যদিও কিছু সেক্টরে চাকরির প্রস্তাবনা কমেছে, দক্ষ কর্মীদের জন্য এখনও নতুন এবং টেকসই চাকরির সুযোগ রয়েছে। সিঙ্গাপুর সরকার বিদেশী কর্মীদের নিয়োগ সহজ করার জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে, যা দক্ষ বাংলাদেশিদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বৈঠকের পরে জানান, “বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি বিদেশি বাজারে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে। আমরা চাই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও জোরদার করতে, যাতে প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়।”
সিঙ্গাপুরে দক্ষ জনশক্তি রফতানি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীরা এখন বৈদেশিক চাকরির বাজারে আরও সম্ভাবনাময় অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন