নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া বাজারে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যেই তা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে একটি দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুনের শিখা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের লোকজন ও আশপাশের বাসিন্দারা দ্রুত ছুটে এসে পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও তীব্র আগুনের কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে পল্টু সাহার মুদি দোকান এবং শহিদ হোসেনের ইলেকট্রনিক্স দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পল্টু সাহা জানান, তার দোকানে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুদ ছিল, যা আগুনে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে শহিদ হোসেন বলেন, তার দোকানে থাকা টেলিভিশন, ফ্যান, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, যার আনুমানিক ক্ষতি প্রায় ১ লাখ টাকা।
খবর পেয়ে আত্রাই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, সময়মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে বাজারের আরও বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ঘটনাটির সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতের নীরবতা ভেঙে আগুনের লেলিহান শিখা ও মানুষের চিৎকারে পুরো বাজার এলাকা বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে। অনেক ব্যবসায়ী নিজেদের দোকানের মালামাল রক্ষার জন্য তড়িঘড়ি করে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের পুঁজি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা কামনা করেছেন, যাতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া বাজারে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যেই তা আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে একটি দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুনের শিখা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের লোকজন ও আশপাশের বাসিন্দারা দ্রুত ছুটে এসে পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও তীব্র আগুনের কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে পল্টু সাহার মুদি দোকান এবং শহিদ হোসেনের ইলেকট্রনিক্স দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পল্টু সাহা জানান, তার দোকানে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুদ ছিল, যা আগুনে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে শহিদ হোসেন বলেন, তার দোকানে থাকা টেলিভিশন, ফ্যান, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, যার আনুমানিক ক্ষতি প্রায় ১ লাখ টাকা।
খবর পেয়ে আত্রাই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, সময়মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে বাজারের আরও বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ঘটনাটির সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতের নীরবতা ভেঙে আগুনের লেলিহান শিখা ও মানুষের চিৎকারে পুরো বাজার এলাকা বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে। অনেক ব্যবসায়ী নিজেদের দোকানের মালামাল রক্ষার জন্য তড়িঘড়ি করে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের পুঁজি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা কামনা করেছেন, যাতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন