গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এক কলেজছাত্রকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মোঃ মিরাজ হোসাইন (২১)। এ ঘটনায় তার মা মোছাঃ সেলিনা বেগম বাদী হয়ে গত ৭ এপ্রিল পলাশবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরাজ হোসাইন মোটরসাইকেলে পেট্রোল নিতে পৌর শহরের সরকার ফিলিং স্টেশনে যান। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নুনিয়াগাড়ী এলাকায় ফিলিং স্টেশনের উত্তর পাশে একটি চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে অভিযুক্ত আপন মিয়া (২০), সৌরভ মিয়া (১৯)সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে পাশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে হামলাকারীরা আগে থেকে প্রস্তুত থাকা লাঠি, লোহার রড, পাইপ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিরাজকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে আপন মিয়ার নির্দেশে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে তার মাথা, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে গুরুতর আঘাত হানে। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও চালায়। মিরাজের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ সরোয়ারে আলম খান জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এক কলেজছাত্রকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মোঃ মিরাজ হোসাইন (২১)। এ ঘটনায় তার মা মোছাঃ সেলিনা বেগম বাদী হয়ে গত ৭ এপ্রিল পলাশবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরাজ হোসাইন মোটরসাইকেলে পেট্রোল নিতে পৌর শহরের সরকার ফিলিং স্টেশনে যান। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নুনিয়াগাড়ী এলাকায় ফিলিং স্টেশনের উত্তর পাশে একটি চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে অভিযুক্ত আপন মিয়া (২০), সৌরভ মিয়া (১৯)সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে পাশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে হামলাকারীরা আগে থেকে প্রস্তুত থাকা লাঠি, লোহার রড, পাইপ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিরাজকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে আপন মিয়ার নির্দেশে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে তার মাথা, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে গুরুতর আঘাত হানে। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও চালায়। মিরাজের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ সরোয়ারে আলম খান জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন