খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় ভোরের নীরবতা ভেঙে সেনাবাহিনীর একটি পরিকল্পিত অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ। জেলার সিন্দুকছড়ি জোনের অধীন কুকিছড়াপাড়া এলাকায় বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (মূল)-এর ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য একটি বাড়িতে অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সিন্দুকছড়ি জোনের নেতৃত্বে মহালছড়ি ও মাটিরাঙা জোনের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে যৌথ বাহিনী ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ’ অভিযান শুরু করে। অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা ইউপিডিএফ-এর স্থানীয় পোস্ট পরিচালক তনিমং মারমার বাসভবন ঘেরাও করলে সেখানে অবস্থানরত দুই সদস্য দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। তারা পাশের একটি ছড়ায় ঝাঁপ দিয়ে দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায়। সেনাবাহিনী তাদের ধাওয়া করলেও প্রতিকূল ভূপ্রকৃতির কারণে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তল্লাশি চালিয়ে ওই বাড়ি থেকে একটি দেশীয় পিস্তল, একটি পাইপগান, ৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় ভোরের নীরবতা ভেঙে সেনাবাহিনীর একটি পরিকল্পিত অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ। জেলার সিন্দুকছড়ি জোনের অধীন কুকিছড়াপাড়া এলাকায় বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (মূল)-এর ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য একটি বাড়িতে অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সিন্দুকছড়ি জোনের নেতৃত্বে মহালছড়ি ও মাটিরাঙা জোনের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে যৌথ বাহিনী ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ’ অভিযান শুরু করে। অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা ইউপিডিএফ-এর স্থানীয় পোস্ট পরিচালক তনিমং মারমার বাসভবন ঘেরাও করলে সেখানে অবস্থানরত দুই সদস্য দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। তারা পাশের একটি ছড়ায় ঝাঁপ দিয়ে দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায়। সেনাবাহিনী তাদের ধাওয়া করলেও প্রতিকূল ভূপ্রকৃতির কারণে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তল্লাশি চালিয়ে ওই বাড়ি থেকে একটি দেশীয় পিস্তল, একটি পাইপগান, ৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন