গাজীপুর-এর মিলগেইট এলাকায় নামাবাজার লাল মসজিদ সংলগ্ন বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় তারা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে বস্তির একটি ঘর থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা চুলার আগুন থেকেই এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যেই তা পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। বস্তির ঘরগুলো ঘনবসতিপূর্ণ এবং অধিকাংশই টিন ও বাঁশের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং নিজেদের মালামাল বাঁচাতে হুড়োহুড়ি শুরু করেন।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি আশপাশের এলাকায় যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়েও সতর্ক অবস্থান নেন। তাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।
অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তবে বহু পরিবার তাদের সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।
এদিকে, ঘটনাস্থলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বস্তি এলাকায় বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুর-এর মিলগেইট এলাকায় নামাবাজার লাল মসজিদ সংলগ্ন বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় তারা।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে বস্তির একটি ঘর থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা চুলার আগুন থেকেই এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যেই তা পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। বস্তির ঘরগুলো ঘনবসতিপূর্ণ এবং অধিকাংশই টিন ও বাঁশের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং নিজেদের মালামাল বাঁচাতে হুড়োহুড়ি শুরু করেন।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি আশপাশের এলাকায় যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়েও সতর্ক অবস্থান নেন। তাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।
অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তবে বহু পরিবার তাদের সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।
এদিকে, ঘটনাস্থলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বস্তি এলাকায় বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন