নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পুলিশের এক কনস্টেবলের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনায় এমরান মিয়া (২৫) নামের ওই কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহত এমরান মিয়া (কং/৯১৩, বিপি-৯৮১৭১৯৯৫৫৩) বাগেরহাট জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর শ্বশুরবাড়ি আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া গ্রামে। তিনি রাতে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে করে শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম জানান, সোমবার সকালে ট্রেনটি আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে সেটি পুরোপুরি থামার আগেই এমরান মিয়া তাড়াহুড়ো করে নামার চেষ্টা করেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি ভারসাম্য হারিয়ে ট্রেনের নিচে পড়ে যান এবং চাকার নিচে তাঁর দুই পা চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই হাঁটুর নিচ থেকে তার দুটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, ট্রেন পুরোপুরি থামার আগে ওঠানামার প্রবণতা এখনও অনেক যাত্রীর মধ্যে রয়েছে, যা প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত কনস্টেবলের পরিচয় নিশ্চিত করা গেলেও তার গ্রামের বাড়ির সঠিক ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পুলিশের এক কনস্টেবলের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনায় এমরান মিয়া (২৫) নামের ওই কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহত এমরান মিয়া (কং/৯১৩, বিপি-৯৮১৭১৯৯৫৫৩) বাগেরহাট জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর শ্বশুরবাড়ি আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া গ্রামে। তিনি রাতে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে করে শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম জানান, সোমবার সকালে ট্রেনটি আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে সেটি পুরোপুরি থামার আগেই এমরান মিয়া তাড়াহুড়ো করে নামার চেষ্টা করেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি ভারসাম্য হারিয়ে ট্রেনের নিচে পড়ে যান এবং চাকার নিচে তাঁর দুই পা চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই হাঁটুর নিচ থেকে তার দুটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, ট্রেন পুরোপুরি থামার আগে ওঠানামার প্রবণতা এখনও অনেক যাত্রীর মধ্যে রয়েছে, যা প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত কনস্টেবলের পরিচয় নিশ্চিত করা গেলেও তার গ্রামের বাড়ির সঠিক ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন