খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা পৌরসভার রসুলপুর গ্রামে ওয়াজ মাহফিল আয়োজনকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের সদস্য ও এনসিপি নেত্রী মনজিলা ঝুমার ফেসবুক লাইভে দেওয়া মন্তব্যের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে রসুলপুর গ্রামবাসী।
আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে রসুলপুর জামে মসজিদ মাঠে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে রসুলপুর সমাজ কমিটি ও রসুলপুর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি রোকন উদ্দিন নাছির লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন রসুলপুর সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মো. মানিক হোসেন, রসুলপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো. হাফিজুল ইসলাম শিকদার ও আমেনা বেগম প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে রোকন উদ্দিন নাছির অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় সমাজ কমিটি ও মুসল্লিদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে ৭ ডিসেম্বর ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করা হয়। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সমাজের লোকজন স্বেচ্ছায় অর্থ সহযোগিতা করে ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করেন। কিন্তু ওয়াজ মাহফিলের পরদিন ৮ ডিসেম্বর ফেসবুক লাইভে এসে ওয়াজ মাহফিলের নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজিসহ গ্রামের মুসল্লি ও নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চল সংগঠক ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মনজিলা ঝুমা।
তাঁর এমন ভিত্তিহীন ও অসত্য মন্তব্যে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পুরো এলাকার সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে দাবি করে রোকন উদ্দিন নাছির বলেন, আমরা নিজেরাই স্বেচ্ছায় অর্থ দিয়ে মাহফিল করি। এখানে চাঁদাবাজির প্রশ্নই আসে না। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তিনি আমাদের সামাজিকভাবে হেয় করেছেন। এ ঘটনায় প্রকাশ্যে এবং ফেসবুক লাইভেই এসে ক্ষমা চাইলে মানববন্ধন করার ঘোষণা দেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রসুলপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো. হাফিজুল ইসলাম শিকদার বলেন, এলাকার মানুষ নিজেরাই স্বেচ্ছায় অর্থ দিয়ে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এলাকাবাসী তথা বিএনপিকে চাঁদাবাজির অপবাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা এই ভিত্তিহীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করি।
মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন, যা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকি উল্লেখ করে রসুলপুর সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মিয়া বলেন, আমাদের সমাজে সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানই স্বেচ্ছাশ্রমে হয়। এবারও সমাজের মানুষেরা যে যার মতো অর্থ সাহায্য দিয়ে আয়োজন করেছে। এসময় তিনি মনজিলা ঝুমাকে লাইভে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করে বলেন, না হলে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে কঠিন কর্মসূচি দেব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা পৌরসভার রসুলপুর গ্রামে ওয়াজ মাহফিল আয়োজনকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের সদস্য ও এনসিপি নেত্রী মনজিলা ঝুমার ফেসবুক লাইভে দেওয়া মন্তব্যের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে রসুলপুর গ্রামবাসী।
আজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে রসুলপুর জামে মসজিদ মাঠে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে রসুলপুর সমাজ কমিটি ও রসুলপুর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি রোকন উদ্দিন নাছির লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন রসুলপুর সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মো. মানিক হোসেন, রসুলপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো. হাফিজুল ইসলাম শিকদার ও আমেনা বেগম প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে রোকন উদ্দিন নাছির অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় সমাজ কমিটি ও মুসল্লিদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে ৭ ডিসেম্বর ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করা হয়। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সমাজের লোকজন স্বেচ্ছায় অর্থ সহযোগিতা করে ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করেন। কিন্তু ওয়াজ মাহফিলের পরদিন ৮ ডিসেম্বর ফেসবুক লাইভে এসে ওয়াজ মাহফিলের নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজিসহ গ্রামের মুসল্লি ও নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চল সংগঠক ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মনজিলা ঝুমা।
তাঁর এমন ভিত্তিহীন ও অসত্য মন্তব্যে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পুরো এলাকার সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে দাবি করে রোকন উদ্দিন নাছির বলেন, আমরা নিজেরাই স্বেচ্ছায় অর্থ দিয়ে মাহফিল করি। এখানে চাঁদাবাজির প্রশ্নই আসে না। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তিনি আমাদের সামাজিকভাবে হেয় করেছেন। এ ঘটনায় প্রকাশ্যে এবং ফেসবুক লাইভেই এসে ক্ষমা চাইলে মানববন্ধন করার ঘোষণা দেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রসুলপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো. হাফিজুল ইসলাম শিকদার বলেন, এলাকার মানুষ নিজেরাই স্বেচ্ছায় অর্থ দিয়ে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এলাকাবাসী তথা বিএনপিকে চাঁদাবাজির অপবাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা এই ভিত্তিহীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করি।
মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন, যা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকি উল্লেখ করে রসুলপুর সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মিয়া বলেন, আমাদের সমাজে সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানই স্বেচ্ছাশ্রমে হয়। এবারও সমাজের মানুষেরা যে যার মতো অর্থ সাহায্য দিয়ে আয়োজন করেছে। এসময় তিনি মনজিলা ঝুমাকে লাইভে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করে বলেন, না হলে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে কঠিন কর্মসূচি দেব।

আপনার মতামত লিখুন