সদর উপজেলার সুতারগোপ্টা এলাকায় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিদ্যুতের লাইনের সংস্পর্শে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল স্থানীয় ‘আকবর কোম্পানি’ নামক একটি ইটভাটায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো শ্রমিকরা ইটভাটায় কাজ করছিলেন। হঠাৎ অসাবধানতাবশত তারা বিদ্যুতের লাইনের সংস্পর্শে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যেই তাদের মারাত্মকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। ঘটনা এতই আকস্মিক ছিল যে, সেখানে উপস্থিত অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। ঘটনার সময় নিহতদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা ও প্রতিবেশীরা মর্মাহত। এক প্রতিবেশী জানান, “দুই শ্রমিকই পরিবারের ভরসা। এভাবে হঠাৎ তাদের মৃত্যু খুবই বেদনাদায়ক। পরিবারগুলো এখন শোকে স্তব্ধ।” এদিকে, ইটভাটায় অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনা পুনরায় ঘটার ভয় রয়েছে। বিদ্যুতের সংযোগ ঠিকমতো না থাকার কারণে আমাদের জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আছে।” সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর, স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনঃমূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও শ্রমিক কল্যাণ সংস্থাগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হলে এমন দুর্ঘটনা পুনরায় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
সদর উপজেলার সুতারগোপ্টা এলাকায় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিদ্যুতের লাইনের সংস্পর্শে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল স্থানীয় ‘আকবর কোম্পানি’ নামক একটি ইটভাটায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো শ্রমিকরা ইটভাটায় কাজ করছিলেন। হঠাৎ অসাবধানতাবশত তারা বিদ্যুতের লাইনের সংস্পর্শে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যেই তাদের মারাত্মকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। ঘটনা এতই আকস্মিক ছিল যে, সেখানে উপস্থিত অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। ঘটনার সময় নিহতদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা ও প্রতিবেশীরা মর্মাহত। এক প্রতিবেশী জানান, “দুই শ্রমিকই পরিবারের ভরসা। এভাবে হঠাৎ তাদের মৃত্যু খুবই বেদনাদায়ক। পরিবারগুলো এখন শোকে স্তব্ধ।” এদিকে, ইটভাটায় অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনা পুনরায় ঘটার ভয় রয়েছে। বিদ্যুতের সংযোগ ঠিকমতো না থাকার কারণে আমাদের জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আছে।” সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর, স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনঃমূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও শ্রমিক কল্যাণ সংস্থাগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হলে এমন দুর্ঘটনা পুনরায় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকার সাধারণ মানুষও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন