ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জিয়াউর রহমানের সাফল্যের নেপথ্যে: শৃঙ্খলা, সাহস ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনীতি


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬

জিয়াউর রহমানের সাফল্যের নেপথ্যে: শৃঙ্খলা, সাহস ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনীতি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমান একজন অত্যন্ত সফল ও সুশৃঙ্খল নেতা হিসেবে পরিচিত যার সাফল্যের মূলে ছিল দেশপ্রেম, কঠোর আত্মবিশ্বাস এবং সাহসিকতা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি পর্যায়ে তিনি ব্যক্তিগত মেধা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। সমকালীন গবেষকদের মতে তাঁর নিভৃতচারী জীবনযাপন এবং চারিত্রিক দৃঢ়তা তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে যখন দেশ এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল তখন ২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আবির্ভূত হন। সম্মুখ সমরে একজন বীর সৈনিক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি যেমন খ্যাতি অর্জন করেন তেমনি পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবেও নিজের প্রজ্ঞা প্রমাণ করেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম স্তম্ভ ছিল ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ যা ধর্ম, বর্ণ ও ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিককে একটি একক পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিল।

জিয়াউর রহমানের প্রশাসনিক সাফল্যের একটি বড় কারণ ছিল মেধাবী ও দক্ষ ব্যক্তিদের মূল্যায়ন। তিনি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস ব্যবস্থা চালু করেন এবং ‘ট্যালেন্ট হান্টিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেন। তাঁর সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনর্প্রবর্তন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উদ্যোগগুলো দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।

ব্যক্তিগত জীবনে বিনয়ী ও সৎ এই নেতা কখনো স্বজনপ্রীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং নিজের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় প্রভাবমুক্ত রেখেছিলেন। দূরদর্শী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করা ছিল তাঁর অন্যতম কৌশলগত সাফল্য। বিশ্লেষকদের মতে বর্তমান সময়ে তাঁর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জিয়াউর রহমানের সাফল্যের নেপথ্যে: শৃঙ্খলা, সাহস ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনীতি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমান একজন অত্যন্ত সফল ও সুশৃঙ্খল নেতা হিসেবে পরিচিত যার সাফল্যের মূলে ছিল দেশপ্রেম, কঠোর আত্মবিশ্বাস এবং সাহসিকতা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি পর্যায়ে তিনি ব্যক্তিগত মেধা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। সমকালীন গবেষকদের মতে তাঁর নিভৃতচারী জীবনযাপন এবং চারিত্রিক দৃঢ়তা তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে যখন দেশ এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল তখন ২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আবির্ভূত হন। সম্মুখ সমরে একজন বীর সৈনিক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি যেমন খ্যাতি অর্জন করেন তেমনি পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবেও নিজের প্রজ্ঞা প্রমাণ করেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম স্তম্ভ ছিল ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ যা ধর্ম, বর্ণ ও ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিককে একটি একক পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিল।

জিয়াউর রহমানের প্রশাসনিক সাফল্যের একটি বড় কারণ ছিল মেধাবী ও দক্ষ ব্যক্তিদের মূল্যায়ন। তিনি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস ব্যবস্থা চালু করেন এবং ‘ট্যালেন্ট হান্টিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেন। তাঁর সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনর্প্রবর্তন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উদ্যোগগুলো দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।

ব্যক্তিগত জীবনে বিনয়ী ও সৎ এই নেতা কখনো স্বজনপ্রীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং নিজের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় প্রভাবমুক্ত রেখেছিলেন। দূরদর্শী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করা ছিল তাঁর অন্যতম কৌশলগত সাফল্য। বিশ্লেষকদের মতে বর্তমান সময়ে তাঁর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ