ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর লিটন (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ১৩ মার্চ দুপুরে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের কলাকোপা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির অব্যবহৃত সেফটি ট্যাঙ্ক থেকে বালুচাপা অবস্থায় তার নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত লিটন ওই এলাকার নায়েব বাড়ির হারুন নায়েবের ছেলে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে যে গত ১০ মার্চ রাতে লিটনের বাবা-মা তাকে নিজ বাড়িতে রাতের খাবার দিয়ে আসেন। লিটনের স্ত্রী অসুস্থতার কারণে বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। পরদিন থেকে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং পরবর্তী সময়ে দৌলতখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী লিটনের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে এক নারীর সাথে তার যোগাযোগের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। ওই নারী বর্তমানে আত্মগোপনে থাকায় হত্যাকাণ্ডের সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে নির্মাণাধীন ওই বাড়ির সেফটি ট্যাঙ্কে বালুচাপা দেওয়া অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে দৌলতখান থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকাবাসী এই নৃশংস মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার জানিয়েছেন যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হলে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর লিটন (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ১৩ মার্চ দুপুরে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের কলাকোপা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির অব্যবহৃত সেফটি ট্যাঙ্ক থেকে বালুচাপা অবস্থায় তার নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত লিটন ওই এলাকার নায়েব বাড়ির হারুন নায়েবের ছেলে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে যে গত ১০ মার্চ রাতে লিটনের বাবা-মা তাকে নিজ বাড়িতে রাতের খাবার দিয়ে আসেন। লিটনের স্ত্রী অসুস্থতার কারণে বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। পরদিন থেকে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং পরবর্তী সময়ে দৌলতখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী লিটনের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে এক নারীর সাথে তার যোগাযোগের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। ওই নারী বর্তমানে আত্মগোপনে থাকায় হত্যাকাণ্ডের সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে নির্মাণাধীন ওই বাড়ির সেফটি ট্যাঙ্কে বালুচাপা দেওয়া অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে দৌলতখান থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকাবাসী এই নৃশংস মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার জানিয়েছেন যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হলে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন